জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

ব্রিটেনের এক নারীর মৃত্যুর চার বছর পরে জন্ম নিতে যাচ্ছে তার সন্তান! এই সন্তান বড় হয়ে উঠবে মৃত সেই নারীর নিজের মায়ের গর্ভে। ঘটনাটি সহজ নয়। কিন্তু মৃত মেয়ের এই শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে আইনি লড়াই লড়ে যাচ্ছেন ৫৯ বছর বয়সের এক ব্রিটিশ নারী। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আগে নিজের ডিম্বাশয় সংরক্ষণ করেছিলো তার মেয়ে।
ইচ্ছা ছিলো ভালো হয়ে উঠলে এই ডিম্বাশয়ে ডোনারের শুক্রানু নিয়ে বাচ্চা প্রসব করে মা হওয়ার সাধ মেটাবেন। প্রকৃতি তার সেই ইচ্ছা পূরণ করেনি। কিন্তু এবার নাছোর বান্দা হয়েছেন তা মা। তিনি বলেছেন, মেয়ের সংরক্ষিত ডিম্বানু নিজের গর্ভে ধারণ করতে
চান। আর ডোনার শুক্রানুতে তাতেই আসবে মেয়ের সন্তান, নিজের নাতি বা নাতনী। সম্ভব হলে সেটিই হবে বিশ্বের প্রথম এমন ঘটনা। ৫৯ বছরের ওই বৃদ্ধা ও স্বামী দুজনই এতে রাজি।
তারা বলছেন, এটি তাদের মেয়ের শেষ ইচ্ছা আর তারা তা পূরণ করতে চান। তারা মনে করেন তাদের একমাত্র মেয়েটিকে হারিয়েছেন। এখন এই একটি মাত্র উপায়েই তারা নানা-নানী হতে পারবেন।
চার বছর আগে বোয়েল ক্যান্সারে ২৬ বছর বয়সে মৃত্যু হয় তাদের মেয়েটির। ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার পর মেয়েটি তার ডিম্বানু হিমায়িত করে রাখে, ভবিষ্যতে মা হওয়ার ইচ্ছায়। কিন্তু রোগের সঙ্গে সংগ্রামে তার হার হয়।
এদিকে যুক্তরাজ্যের কোনও ক্লিনিকই এই চিকিৎসা দিতে রাজি হচ্ছে না। এতে ওই বাবা-মা তাদের মেয়ের হিমায়িত ডিম্বানু নিয়ে যেতে চান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে নিউইয়র্ক প্রায় লাখ খানেক ডলার খরচ করে তারা মেয়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে পারবেন।
তবে, ৫৯ বছরের এই নারীর পক্ষে ওই ডিম্বানুতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ বলে জানিয়েছে ক্লিনিকগুলো। তারা বলছে, এতে তার বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি হতে পারে। আর গর্ভধারণ হলেও সম্ভাব্য শিশুটিরও হতে পারে বড় কোনও শারীরিক সমস্যা।
সেটি অবশ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিষয়। আপাতত এই দম্পতিকে লড়তে হচ্ছে আইনি লড়াই। বিচারক তাদের পক্ষে রায় দিলে, এই নারীই হবেন বিশ্বের প্রথম যিনি তারা মৃত মেয়ের ডিম্বানু থেকে সন্তান ধারন করবেন।
যুক্তরাজ্যের হিউম্যান ফার্টিলিটি অ্যান্ড এমব্রোয়োলজি অথরিটি (এইচএফইএ) অবশ্য এরই মধ্যে ডিম্বানু যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে মৃত মেয়েটি কোনও স্পষ্ট লিখিত নির্দেশনা দিয়ে যায়নি, এটাই তাদের যুক্তি।
তবে তারা বাবা-মা এবার উচ্চ আদালতে যাচ্ছেন। তাদের দাবি মেয়েটি মৃত্যুর আগে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে গেছে। এদিকে, রাজনীতিক আর সামাজিক
গোষ্ঠীগুলোও বিষয়টি সহজভাবে নিচ্ছে না। মৃত্যুর চার বছর পরে কোনও নারীর সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না বলে মত তাদের।
নারীদের মেনোপজ হয়ে যাওয়ার পর ডোনার শুক্রানুতে গর্ভধারণ অসম্ভব এমনটা নয়। তবে এতে গর্ভপাত ও গর্ভজনিত অন্য কিছু জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তারপরেও বৃদ্ধ দম্পতি তাদের লড়াই লড়ে যাচ্ছেন। তবে এখনই ত‍ারা সংবাদমাধ্যমে তাদের নাম প্রকাশিত হোক সেটা চাইছেন না।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বারবার কু-প্রস্তাব দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক যুবতী ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছে মাসুদ রানা (২৫) নামে এক যুবকের। মুমূর্ষু অবস্থায় মাসুদকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মাসুদের বাড়ি জামালপুর জেলা সদরের নারায়ণপুর গ্রামে। সে এ উপজেলার ধেরুয়া এলাকায় অবস্থিত নাসির গ্লাস ফ্যাক্টরিতে স্টোরকিপার পদে কর্মরত বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে সোহাগপাড়া এলাকায় বসবাসরত গাইবান্ধা জেলার এক যুবতীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে যুবতী কৌশলে মাসুদ রানাকে ধেরুয়া এলাকার নিরিবিলি হোটেলে আসতে বলে। কথামত সে ওইখানে আসে। পরে মাসুদ ওই যুবতীর সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক করার চেষ্টা করলে যুবতী ক্ষিপ্ত হয়ে ব্লেড দিয়ে তার পুরাষাঙ্গ কেটে দেয়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় মাসুদকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ব্যাপার কুমুদিনী হাসপাতালে সার্জারি বিভাগের দায়িত্বপালনকারী ডাক্তার মোস্তাকিম বলেন, পুরুষাঙ্গ ব্লেড জাতীয় ধারালো কিছু দিয়ে কাটা হয়েছে। অপারেশনের পর তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
পানিই জীবন বা জীবনের অপর একটি নাম পানি। এটি পান করে তেষ্টা নিবৃত হওয়া পর্যন্তই কেবলমাত্র পানির উপকারীতা সীমাবদ্ধ নয়। পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা আপনার শরীরকে বিভিন্ন ধরনের অসুখের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। আপনার ত্বককে করে তুলতে পারে উজ্জ্বল। আজকের ব্যস্ত জীবনে নিজের ত্বক ও শরীরের যত্ন নেওয়ার একটুও সময় নেই আপনার হাতে। কিন্তু পরিমানমত পানি খান আপনার শরীর থাকবে শান্ত রক্ষা পাবেন বহু অসুখ থেকে। আজ জেনে নিন পানি ঠিক কতটা উপকারী মানুষের জীবনে।
১) ওজন কমাতে সাহায্য করে: অতিরিক্ত ওজন বা ফ্যাট বেড়ে যাওয়া নিয়ে এখন মহিলা থেকে পুরুষ সবাই খুব চিন্তায়। প্রতিদিন সঠিক পরিমানে পানি পান করুন আর নিস্কৃতি পান এই চিন্তার হাত থেকে। পরিমিত পানি আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে দেয় এবং অপ্রয়োজনীয় খিদের হাত থেকে মুক্তি দেয় আপনাকে। পানির মধ্যে যেহেতু ক্যালোরির পরিমান একদম শূন্য তাই আপনার দেহের মেটাবলিসম বাড়াতে সাহায্য করে যা মুক্তি দেয় আপনাকে অতিরিক্ত মেদের হাত থেকে।
২) ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ায়: এই পাণীয়টি বাড়ায় মানবশরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা। মানবশরীরের প্রায় সমস্ত অসুখ হয় ইমিউনিটি ক্ষমতা কম থাকার জন্য। একটু খেয়াল করে দেখবেন কিছু মানুষ ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়েন, এর একমাত্র কারণ হল তাদের দেহের ইমিউনিটি ক্ষমতা বা আত্মরক্ষার শক্তি খুবই কম। তাই নিজেদের দেহের ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন খান ১ লিটার পানি।
৩) ত্বক উজ্জ্বল রাখে: আপনারা প্রত্যেকেই নিশ্চয় চান আপনার ত্বক ভাল থাকুক। তাহলে আজ থেকেই পরিমিত পরিমাণ পানি খাওয়া শুরু করুন। দিনে ১লিটার পানি পান করা শুধু আপনার স্বাস্থ্য না আপনার ত্বকের জন্য খুব উপকারী। পানি আপনার ত্বককে কোন ধরনের অ্যালার্জী বা ব্রণর হাত থেকে প্রতিরোধ করে। পানি হল আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করার সবথেকে সস্তা একমাত্র উপায়।
৪) ব্যাথা থেকে মুক্তি: কর্পোরেট অফিস হোক বা অন্য যে কোন কাজ, আজকাল প্রায় সমস্ত কাজই হয় কম্পিউটারের সামনে। কম্পিউটারের সামনে বেশিক্ষন বসে কাজ মানেই স্পন্ডিলাইটিশ থেকে মাথা ব্যাথা যে কোন ব্যাথা হবেই। এই ব্যাথা বেদনাকে খুব একটা আমল না দিলেও বয়সকালে ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে এগুলি। তাই সেই পর্যায় যাওয়ার আগেই মুক্তি পান ব্যাথার হাত থেকে। কিভাবে মুক্তি পাবেন? খুবই সহজ উপায় অকারনে পানি কম খাবেন না, কাজ করার ফাঁকে খান প্রচুর পরিমানে পানি। এই পানিই আপনাকে মুক্তি দেবে ব্যাথার প্রকোপ থেকে।
ইউ কে ইঞ্জিনিয়ার্স পরিক্ষা করে দেখেছে, দাঁত ওত্যন্ত শক্তিশালী জৈব উপাদান দ্বারা গঠিত। জিহ্বাকে ব্যবহার করে ছোট দাতের মধ্যমে অনেক শক্তিশালী খাদ্যকেও চিবিয়ে খেয়ে ফেলা হয়। দাঁত গবেষকরা গবেষণাগারে দাতের অতি ক্ষুদ্র টুকরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, তা খনিজ, প্রোটিন, ও যৌগিক দ্বারা গঠিত।
তারা আবিষ্কার করেন, এটা স্পাইডার সিল্ক এর চাইতেও অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। এমনকি মানুষের তৈরি যে কোন বস্তুর চাইতেও বেশি শক্তিশালী।
রয়েল সোসাইটি এর জার্নাল ইন্টারফেসে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মনুষ্যসৃষ্ট শক্ত কোন বস্তু যেমন বিমান, গাড়ি এবং নৌকা নির্মাণ করতে যে গোপন খনিজ তন্তু বা শক্ত উপাদান ব্যবহার করা হয় মানুষের দাঁত তার চাইতেও বেশি শক্ত তন্তু দ্বারা তৈরি। .
অধ্যাপক আসা বারবের গবেষণা নিয়ে আলোচনা করে বলেছেনছেন, ‘জীববিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে অনুপ্রেরণা একটি বড় উৎস’।
তিনি আরও বলেন, ‘দাঁত খুব ছোট ও সূক্ষ্ম ফাইবার দ্বারা গঠিত, এবং এই নকশা নীতির উপর অনুসরণ করে আমাদের নিজস্ব কাঠামো তৈরী সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত’।
দাতের কার্বন ফাইবার প্লাস্টিক যা লোহার খনিজের মধ্যে পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন বেস তন্তু যা দাতের মজবুত প্লাস্টিক হিসেবে কাজ করে।
একটি দাঁত নিজস্ব দৈর্ঘ একটি মিলিমিটারের চাইতেও কম, কিন্তু সঠিকভাবে পরিমাপ করার জন্য অধ্যাপক নাপিত এবং তার সহকর্মীরা একটি কুকুরের অণুমাত্র হাড় এর আকৃতি মধ্যে ১০ যৌগিক প্রসার্য শক্তি প্রয়োগ করে দেখেছেন যে সেটা ভাঙ্গার আগে নিজের শক্তি প্রয়োগ করতে সক্ষম।
জীববিজ্ঞানীদের অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে দাঁতের গঠন আর সামুদ্রিক ঝিনুক ও শামুকের গঠন প্রায় একই। দুটোই অত্যন্ত সুক্ষ ফাইবার দ্বারা গঠিত। তবে দাঁতই পৃথিবীর সবচাইতে শক্তিশালী তন্তু দ্বারা গঠিত বলে জীববিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
বিয়ের প্রথম বছরটি দাম্পত্য জীবনের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়টাতে নতুন করেই সবকিছু শুরু করতে হয় সকলকে। এই সময়েই বোঝা যায় দাম্পত্য জীবনে কতোটা সফলতা আসতে পারে। যদিও সময় গেলে অনেক গভীরতা আসে সম্পর্কে কিন্তু তারপরও প্রথম বছরেই স্বামী ও স্ত্রী নিজেদের একে অপরের মনে স্থান করে নিতে যথাসম্ভব চেষ্টা করে চলেন। বিয়ের প্রথম বছরেই পুরো জীবনের পরিকল্পনার ভিত্তি তৈরি হয়ে যায়। তাই এই সময়টা দাম্পত্য জীবনের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
১) নতুন মানুষটিকে চিনে নেওয়ার সময় এটিই: ‘আরেঞ্জ ম্যারেজ’ বলুন বা ‘লাভ ম্যারেজ’ বিয়ের পর নতুন একটি পরিবেশে নতুন করে সব কিছু বুঝে নিতে হয়। যাকে প্রেমিক হিসেবে চিনতেন অথবা যাকে একেবারেই চিনতেন না তাকে নতুন করে চিনে নেয়ার সময় এটিই। এই সময়টাতে একেঅপরকে ভালো করে চিনে নিতে পারলে দাম্পত্য জীবন সুখে হয়।
২) এই প্রথম বছরেই বেশি সময় একসাথে কাটানো যায়: একে অপরকে বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে একসঙ্গে সময় কাটানো। একজন আরেকজনের কথা মন দিয়ে শোনা এবং অপর মানুষটিকে বোঝার চেষ্টা করা। প্রথম প্রথম একটু সমস্যা হলেও অনেকটা সময় একসঙ্গে কাটানো যায় বলে একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ জানা যায় এবং পার্টনারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মনোভাব তৈরি হয়। এতে করে দাম্পত্য সম্পর্ক গভীর হতে থাকে।
৩) শেয়ার করার জিনিসগুলো: একটি ঘরের সবকিছু, বেডরুম, রান্নাঘর, জিনিসপত্র সব শেয়ার করার বিষয়টির উপরেও কিন্তু দাম্পত্য জীবনের অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে। প্রথম বছরেই সঙ্গী সম্পর্কে অনেক কিছু শিখে নেয়া যায় সামান্য শেয়ারিংয়ের মনোভাব থেকে।
৪) দাম্পত্য কলহের সম্ভাবনা: কোনো দম্পতি একেবারেই কখনও ঝগড়া করেননি বিষয়টি অসম্ভব। ঝগড়া, দাম্পত্য কলহ সকল দম্পতিদের মধ্যেই দেখা যায়। কিন্তু বিয়ের প্রথম বছরেই সঙ্গীর পছন্দ অপছন্দ বুঝে নেওয়া, ছোটোখাটো বিষয়ে সঙ্গীর রিঅ্যাকশন সব দেখে বুঝে নেওয়া যায় আপনাদের দাম্পত্য কলহ হলে তা কতটা খারাপ রূপ নিতে পারে। তাই বিয়ের প্রথম বছর থেকেই কিছু জিনিস শিখে নিয়ে এড়িয়ে চলা যায় কঠিন কিছু কলহ।
৫) ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বিয়ের প্রথম বছরটিতেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে নেওয়ার বিষয়টি দাম্পত্য সম্পর্ক অনেক সহজ করে তোলে। ভবিষ্যতে কি হবে, কতটা ম্যানেজ করে চলা যাবে, সন্তান কখন নেওয়ার কথা ভাবা হবে-এই সব কিছুর পরিকল্পনা করে নেওয়ার সঠিক সময় বিয়ের প্রথম বছর।
বাড়তি ওজন কমাতে গিয়ে না খেয়ে থাকলে শরীরে নানান রকম প্রভাব পড়ে। তাই ওজন কমানোর স্বার্থে না খেয়ে থাকাটা মাঝে মাঝে দ্রুত সমাধান দিলেও কখনও স্থায়ী সমাধান নয়।
খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক এক ওয়েবসাইটে উপোস থাকার ফলে মানবদেহে যে নানান রকম প্রভাব ফেলে সে বিষয়ে জানানো হয়।
ব্রেইন ফগ বা অচেতন মস্তিস্ক
যদি কখনও উপলব্ধি করেন যে কাজে মনোযোগ আসছে না, নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বুঝতে কষ্ট হচ্ছে বা ভুলে যাচ্ছেন কিংবা নিজের চিন্তাভাবনা গুছিয়ে প্রকাশ করতে পারছেন না তাহলে নিশ্চিতভাবেই আপনি ‘ব্রেইন ফগ’য়ে আক্রান্ত হয়েছেন। আপনার মস্তিষ্ক মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়ছে।
রক্তে শর্করার পরিমাণ কম হলে এই ধরনের সমস্যা হয় এবং কথা বলতে জড়তা কাজ করে। পুষ্টিকর জলখাবার খেয়ে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
অবসাদ
সন্দেহাতীতভাবে বলা যায় যে অতিরিক্ত অনাহার মানসিক অবসাদ ডেকে আনে। খাদ্য হল শরীরের সকল শক্তির উৎস। একটি গবেষনায় দেখা গিয়েছে মানসিক অবসাদের পেছনে সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া এবং অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়ার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। অবসাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে আপনার দিন শুরু করুন স্বাস্থ্যকর যবের তৈরি সব খাদ্য দিয়ে।
হরমোনজনিত পরিবর্তন
নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া না করলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। এক-দুবেলা না খেয়ে থাকলেও আমাদের দেহ সাধারনত স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখতে পারে। কিন্তু নিয়মিত অনাহারের ফলে নিম্ন রক্তচাপ দেখা দেয়। ফলে দেহে হরমোনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। নিম্ন রক্তচাপের কারণে শরীরে ক্লান্তিভাব, মাথা ঘোরা এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। স্বস্তিকর অনুভূতি থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ভারী খাবার না খাওয়া গেলেও অন্তত স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে হবে।
বহুমুখী আচরণ ও বদমেজাজ
ডায়াবেটিস টেকনোলজি ও থেরাপিউটিক্স’য়ে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে রক্তে শর্করার পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যক্তির মধ্যে বহুমুখী আচরণ লক্ষ করা যায়। এসব ক্ষেত্রে ব্যক্তি একেক সময় একেক রকম মেজাজে থাকেন। এর মধ্যে বিরক্তি বা বদমেজাজও দেখায় অনেকে। সঠিক পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কার্বোহাইড্রেট দেহকে সুস্থ রাখে এবং দেহের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
পেশীক্ষয়
অতিরিক্ত অনাহারের আরেকটি ক্ষতিকারক দিক হল পেশীক্ষয়। এক-দুবেলা না খেয়ে থাকা হয়ত শরীরে বড় ধরনের ক্ষতি করে না। তবে নিয়মিত উপোস করলে দেহের মাংসপেশী ক্ষয় হতে থাকে। ফলে শরীরে স্থায়ীদুর্বলতা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে সুস্থ থাকার জন্য মুরগির মাংস কিংবা মাছেরমতো চর্বিহীন আমিষজাতীয় খাবার খেতে হবে।
অতিভোজন
সারাদিনে কতটা খাচ্ছেন তার উপর বিভিন্ন বিষয় নির্ভর করে। না খেয়ে থাকার ফলে উল্টাপাল্টা খাবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগায় যা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। নিয়মিত খাবার খেলে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না।
তাই নিয়মিত সঠিক পুষ্টিমানসম্পন্ন খাবার গ্রহণ করার অভ্যেস গড়ে তুলুন।
বিডিনিউজ 
আমরা সবাই সিগারেটের প্যাকেটের ওপর সাধারণত একটাই ট্যাগ লাইন দেখতে পাই ‘সিগারেট খাওয়া স্বাস্হের পক্ষে ক্ষতিকর’, কিন্তু আপনি কি জানেন যে সিগারেট খাওয়া শুধুমাত্র স্বাস্হকেই ক্ষতি করে না আপনাদের সেক্স লাইফেও আঘাত হানে৷ বিভিন্ন রকমের ব্রেন্ডের এবং নানা রকম স্বাদের সিগারেট আজকাল মেয়েদের আকর্ষণ কাড়তেও ছাড়ে না! তাই খুব স্বভাবিক ভাবেই পরের দিকে ধীরে ধীরে নিজেদেরকে বিষণ্ণতার দিকে ঠেলে দেয়৷
সেক্সুয়েল থেরাপিস্ট ডা: বিজয়সারথি রামানাথন বলেন ধুমপান আমাদের রক্ত প্রবাহে ভীষণ চাপ সৃষ্টি করে এবং যার ফলে পুরুষদের ঋজুভাবকে ক্ষতি করে৷ তাই খুব স্বভাবিকভাবেই সেক্স লাইফকে ক্ষতি করে বিষণ্ণতার ও মানষিক রোগগ্রস্ত হয়ে পড়েন৷ সিগারেটের মধ্যে থাকা নিকোটিন শরীরের ধমনীর মধ্যে প্রচুর পরিমানে ফ্যাটি অ্যাসিড জমায়েত করে৷ ফলে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহকে প্রায় বন্ধ করে৷ তাই দ্বীতিয়বার সিগারেট ধরানোর আগে এটাও ভেবে রাখুন যে এই ধুমপান আপনার সেক্সের উত্তেজনাকেও কেড়ে নিতে পারে৷
আপনি কি জানেন আপনার সেক্স হরমোন টেসটস্টেরন লেভেলকে খুবই প্রভাবিত করে? ধুমপান, রক্তের মধ্যে কার্বনমোনক্সাইডের মান বাড়িয়ে দিয়ে এই সেক্স হরমোনটিকে সৃষ্টি হওয়ার থেকে বিরত করে৷ তাই ধুমপান শুধুমাত্র স্ট্রোক, ক্যানসারের কারণ নয় তা আপনাদের সেক্সের আনন্দও কেড়ে নিয়ে আপনার জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়৷
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers