জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

একে অপরের প্রতি নিরাপত্তাহীনতার মনোভাব বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি ৷ নতুন এক গবেষণায় উটাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদ ব্রেট উচিনো জানিয়েছেন এই কথা ৷
বিজ্ঞানীরা প্রায় ১৩৬ জন দীর্ঘ দিন ধরে সংসার করা দম্পতিদের নিয়ে একটি গবেষণা করেন ৷ এই গবেষণায় তারা দেখেন একে অপরের প্রতি মনোভাব তাদের হৃদয়ের উপর প্রভাব ফেলে কিনা ৷ এদের মধ্যে ৩০ শতাংশ দম্পতিদের মধ্যে একে অপরের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে এবং বাকী ৭০ শতাংশ দম্পতির মধ্যে একে অপরের প্রতি মিশ্র প্রকৃতির মনোভাব পরিলক্ষিত হয়েছে ৷ একে গবেষকেরা পরস্পরবিরোধী মনে বলে উল্লেখ করেছেন ৷ এই গবেষণায় তাদের কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার মাত্রাও পরীক্ষা করা হয় এবং অন্যান্য দৈনন্দিন অভ্যেস যেমন শরীরচর্চা, ধূমপানের অভ্যাস ও খতিয়ে দেখা হয় ৷
গবেষকেরা দেখেন যে বেশির ভাগ দম্পতিই একে অপরের প্রতি বিরোধী মনোভাব পোষণ করেন এবং তাদের ধমণীতে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম উত্থাপন হয় এবং এই দম্পতিদের মধ্যেই হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি ৷ এথেকেই তারা জানিয়েছেন স্বামী স্ত্রীর একে অপরের প্রতি মিশ্র মনোভাব সম্পর্কের ভাঙনের মতো হৃদয়ের স্বাস্থ্যেও চিড় ধরাতে সক্ষম ৷
সম্প্রতি এই গবেষণাটি সাইকোলজিক্যাল সায়েন্সের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে ৷
Advertisements
হাঁটুর ব্যথা সকলেরই নিত্য নৈমিত্যিক সমস্যা ৷ অনেক উপায় অবলম্বন করেও এই সমস্যার স্থায়ী উপায় এখনও জানা যায়নি ৷ তবে এবার এক গবেষণায় উঠে এল এক নতুন তথ্য ৷ নিয়মিত আঙুর খেলে হাঁটুর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ৷ আঙুরে রয়েছে উচ্চমানের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং পলিফেনল যা হাঁটুর গাঁটকে নয়মনীয় ও গতিশীল করে তুলনে সক্ষম ৷
টেক্সাস ওমেন’স ইউনিভার্সিটির স্যানিল জুমার গবেষণায় উঠে এসেছে যে, আঙুর হাঁটুর অস্টিও আর্থারাইটিসের ব্যথা দূর করে এবং গাঁটের নমনীয়তা বাড়িয়ে তোলে ৷ এটি নারী, পুরুষ উভয়ের জন্যই আঙুর খুব উপকারি ৷ ৪৫ উর্দ্ধ মানুষেরা নিয়মিত এই ফল খেলে কয়েকদিনের মধ্যেই ফল পাবেন ৷
এছাড়াও আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬, ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়াম ৷ এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার. হৃদরোগের বিরুদ্ধেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে ৷
নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে কিংবা ত্বক ভালো রাখতে কম-বেশি সব নারীই বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকে। দৃশ্যত এগুলো ত্বক সুন্দর করে। তবে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এর ফলে নারীর মেনোপজ পর্যায় নির্ধারিত সময়ের ৪ বছর আগেও শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই গবেষণা করেছেন।
প্রসঙ্গত, জন্মের সময় মেয়েদের ওভারিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিম্বাণু থাকে। পিরিয়ড শুরু হওয়ার পর প্রতি মাসে ডিম্বাণু নিঃসৃত হয়। বয়স ৫০ পার হলে ওভারিতে ডিম্বাণু শেষ হয়ে যায়। ফলে মেনস্ট্রুয়েশন বন্ধ হয়ে যায়। এটাই হলো মেনোপজ।
এ সময় শারীরিক নানান ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয় নারী। রাতে ঠিক মতো ঘুম না হওয়া, কাজে আগের মতো স্বতঃস্ফূর্ত ‌না থাকা আর অবসাদ তো আছেই। শরীরের এমন পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে গিয়ে হিমশিম খায় বেশিরভাগ নারী। মনে করেন ‘এইতো বুড়ি হয়ে গেলাম, জীবন এখানেই শেষ’।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষক জানিয়েছেন, তারা সুগন্ধি, লিপস্টিক, বডি ওয়াশ, চুলের যত্নে বিভিন্ন পণ্য, মুখের ক্রিম এবং নেইল পোলিশের উপর ৪ বছর ধরে গবেষণা করেছেন। গবেষণায় তারা ৩১ হাজার ৫৭৫ জন নারীর উপর ১১১টি কেমিক্যালের প্রভাব পরীক্ষা করেছেন। এদের মধ্যে তারা ১৫টি কেমিক্যালকে ক্ষতিকর হিসেবে চিহিৃত করেন।
গবেষণায় তারা ওই নারীদের রক্ত এবং ইউরিনে ১১১ কেমিক্যালের মাত্রা বিশ্লেষণ করেছেন। তারা দেখতে পেয়েছেন, সুনির্দিষ্টি কিছু কেমিক্যালের মাত্রা যেসব নারীর শরীরে বেশি পাওয়া গেছে তাদের ২ থেকে ৪ বছর আগেই মেনোপজ শুরু হয়েছে।
গবেষকরা বলেছেন, এসব ক্ষতিকারক কেমিক্যালসমৃদ্ধ প্রসাধনী শুধু নারীর সন্তান জন্মদানের ক্ষমতাকেই প্রভাবিত করে না। এর ফলে হার্টের রোগসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যায়ও আক্রান্ত হতে পারে নারী।
তারা জানান, এছাড়া এসব কেমিক্যাল নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় ও হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে। এমনকি মেয়েদের বয়োঃসন্ধি কালকেও এগিয়ে আনতে পারে এসব কেমিক্যাল।
গবেষক দলের অন্যতম সদস্য অ্যাম্বার কুপার বলেন, আগাম মেনোপজের সঙ্গে সম্পর্কিত কেমিক্যালগুলো ওভারির কার্যক্রমকে আগেভাগে কমিয়ে দিতে পারে। আমাদের গবেষণা বলছে, এজন্য আমাদের সমাজের সবারই সচেতন হওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, পিরিয়ড বন্ধের কয়েক বছর আগে থেকেই মেনোপজের লক্ষণ দেখা যায়। ৫০ বছর বয়সের পর মেনোপজ হলে একে বলা হয় ‘নরমাল মেনোপজ’। যদি ৪০ পেরোবার আগেই কোনো নারীর মাসিক বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তাকে বলে ‘প্রিম্যাচিওর মেনোপজ’। আবার যদি কোনো কারণে অপারেশন করে ওভারি বাদ দেওয়া হয় তাহলেও মেনোপজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একে বলা হয় ‘সার্জিকাল মেনোপজ’।
সুখের কী কোনো বয়স হয়? এ প্রশ্নের উত্তরে একদল হয়তো দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলবেন তারুণ্যের সময়টাই সবচেয়ে সুখের। আবার এর বিপরীত পিঠে দাঁড়িয়ে তরুণ কেউ হয়তো বলে বসবেন যে যারা জীবনের একটা বড় সময় পাড়ি দিয়ে এখন নিশ্চিন্ত বার্ধক্যের পথ পাড়ি দিচ্ছেন যারা সেই প্রবীণরাই বেশি সুখী।
তবে সুখের মতো আপেক্ষিক একটি বিষয় নিয়ে মানুষের এই দীর্ঘস্থায়ী বিতর্কের একেবারে চুলচেরা উত্তর এবার খুঁজে দিয়েছেন বিশ্বখ্যাত লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্সের সেন্টার ফর ইকোনমিক পারফর্মেন্সের একদল গবেষক। তাদের দাবি, মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুখী দুটি সময় হলো তার ২৩ ও ৬৯ বছর বয়সের দুটি সময়। অন্যদিকে মানুষের জীবনে সবচেয়ে হতাশাজনক সময়ের দেখা মেলে মধ্য পঞ্চাশে। তা ছাড়া জীবন যুদ্ধে জয়ী হয়ে যারা ৭৫ বছর বয়সের সীমা পেরিয়ে যান তাদের ক্ষেত্রেও সুখের মাত্রা ক্রমে কমতে থাকে বলে দাবি গবেষকদের। মূলত ১৭ থেকে ৮৫ বছর বয়সী ২৩,১৬১ জনের কাছ থেকে জরিপের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য বিশে¬ষণ করে মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানের সাথে সুখের এই সম্পর্কের কথা আবিষ্কার করেন লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্সের এই গবেষকরা।
এদিকে মানুষের জীবনের ২৩ ও ৬৯ বছর বয়সী সময় দুটিকে সবচেয়ে সুখী সময় বলে আখ্যায়িত করার পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সের আরও কিছু মজার দিকও তুলে ধরেছেন এই গবেষকরা। উদাহরণস্বরূপ বিশে পা দিয়ে অধিকাংশ তরুণই তাদের ভবিষ্যত বা নিজেদের সম্ভাবনা নিয়ে অতিমূল্যায়ন করে থাকেন এবং এই অতিমূল্যায়নের হার ১০ শতাংশ পর্যন্ত হয়। আবার ৫০ বছর বয়সের পর জীবনের উপর মানুষের যে তৃপ্তি হরাস পেতে থাকে সেটি পুনরায় বাড়তে শুরু করে ৫৫ বছর বয়স থেকে যা পুনরায় সুখের চূড়ায় ওঠে ৬৯-এ এসে। মজার বিষয় হলো এর কারণ খুঁজতে গিয়ে বিশ বছর বয়সী তরুণদের উল্টো চিত্রই খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। তাদের মতে, ৬৮ বছর বয়সে এসে মানুষ তার ভবিষ্যত সম্পর্কে কিছুটা (প্রায় ৪.৫ শতাংশ) অবমূল্যায়ন করে এবং এর ফলে কম প্রত্যাশায় অধিক প্রাপ্তির একটা সুখ তাদেরকে আচ্ছন্ন করে তাদের ৬৯ বছর বয়সে।
আসছে ১৪ ফেব্রুয়ারি হল ভ্যালেন্টাইনস ডে/ বিশ্ব ভালবাসা দিবস । আর এই দিন যদি কোনও প্রেমিক-প্রেমিকাকে গোলাপ ফুল হাতে দেখা গেলে কিংবা কোনো পার্কে আলিঙ্গনরত অবস্থায় দেখা গেলেই তাদের সমাজের নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে দেওয়া হবে। এমনকি যদি প্রেমিক ও প্রেমিকা এক ধর্মের বা গোত্রের না হন, তাহলে তাদেরকে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।
আর মাত্র ১০ দিন পরেই ভ্যালেন্টাইনস ডে/বিশ্ব ভালবাসা। আর এরই মধ্যে নড়েচড়ে বসল ভারতের পশ্চিম উত্তর প্রদেশের হিন্দু মহাসভা। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, এইদিন যদি প্রণয়ী যুগলরা একসঙ্গে উদযাপন করলে তাদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হবে। এই ধরণের পশ্চিমী প্রথা জনসমক্ষে উদযাপন করা ভারতের মতো দেশের শোভা পায় না ।আর তাই এই নিদের্শ হিন্দু মহাসভার।
মহাসবার সভাপতি চন্দ্র প্রকাশ কৌশিক একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ভারতের মতো দেশে বছরের ৩৬৫ দিনই ভালবাসার দিন। তবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন করার প্রয়োজন কী? আমরা ভালবাসার বিপক্ষে নই, কিন্তু যারা একে অপরকে ভালবাসে বলে দাবি করে তাদের অবিলম্বে বিয়ে করা উচিত্‍ বলে মন্তব্য করেন। আর যদি তারা আমাদের বলেন যে ভাবার জন্য সময় প্রয়োজন, তাহলে অবশ্যই তাদের একসঙ্গে ঘোরাফেরা করা উচিত্‍ নয় । আমরা ওদের অভিভাবকদেরও বিষয়টা জানাবো ।
হিন্দু মহাসভা দশ দিন আগে থেকেই বিয়ে নিয়ে ধন্দে থাকা প্রেমিক-প্রেমিকাদের খুঁজে বের করার জন্য পশ্চিম উত্তর প্রদেশে বিভিন্ন দল নিযুক্ত করেছে। এই গোষ্ঠীর আগ্রার প্রতিনিধি মহেশ চন্দনা জানালেন, যদি ভারতের সকল মানুষ হিন্দু হতেন তাহলে আমরা অসবর্ণ বিয়ে মেনে নিতাম। কিন্তু তা যেহেতু নয়, তাই প্রেমীযুগলকে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে ।
তবে উল্লেখ্য যে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি হিন্দু সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই বছর ভ্যালেন্টাইনস ডেতে জোর করে বিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকছে বজরঙ্গ দল। অন্যদিকে, হিন্দু মহাসভার মিরাটের প্রতিনিধি পন্ডিত অশোক শর্মা জানিয়েছেন যেসব হিন্দুরা অন্য ধর্মের প্রতি সহৃদয় তাদের ঘর ওয়াপসি প্রয়োজন। যাতে তারা অন্য কোনও ধর্মের অস্তিত্বই না স্বীকার করে। বুধবার চন্দ্র প্রকাশ কৌশিক মিরাটে গিয়ে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে ।
আপনার আইপ্যাডই এখন হতে আপনার সেক্স পার্টনার। আইপ্যাডের দৌলতে বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে উপভোগ করতে পারবেন সেক্সের মজা। স্কাইপি হোক বা জিমেলে সেক্স চ্যাটে আর মন ভরাতে হবে না।
কথা বলতে বলতেই পাবেন রতিসুখ। আজগুবি মনে হচ্ছে? মোটেও না। সময় যে অনেকটা এগিয়েছে। প্রেমিকার সঙ্গে এখন রোজ দেখা হয় কোথায়? আপনিও ব্যস্ত, সেও। তাই সেক্স থেকে আপনারা দুজনেই বঞ্চিত।
সেই খামিত পূরণ করতে এবার উদ্যোগ নিল এক বিখ্যাত সেক্স-টয় প্রস্তুতকারী সংস্থা। ‘ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড’ খুব শিগগিরই এসে পড়বে মার্কিন নাজারে। যে কোনও আইপ্যাডের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যাবে এই ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড।
এটা আসলে যোনির আকৃতির এক অংশ। রবার টিউব জাতীয় উপাদানের তৈরি। কোনও দুষ্টু ছবি দেখতে দেখতে এই টিউবই আপনাকে দেবে রতির সুখ। নির্মাতাদের দাবি, সঙ্গিনীর সঙ্গে কথা বলার সময় বা চ্যাট করার সময় এই কৃত্রিম যোনিই আপনাকে দেবে স্বর্গসুখ।
আইপ্যাডের পর্দায় ভেসে ওঠা প্রেমিকার ছবি দেখতে দেখতে তাঁর সঙ্গে যৌন মিলনের সুখও পাওয়া যাবে বলেই দাবি সংস্থার। সংস্থার তরফে একে বলা হচ্ছে ‘ফ্লেশলাইট এক্সপেরিয়েন্স’। শুধু সেক্সে পটুরাই নয়, যারা একেবারেই আনকোরা, তাদেরও পরিপক্ক হতে সাহায্য করবে ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড।
সংস্থার তরফে দাবি, মাস্টারবেট করার সহজ উপায় হল লঞ্চপ্যাড ব্যবহার করা। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এর দামও রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যেই।
শিরোনাম পড়ে একটু অবাক হওয়ারই কথা। না হলে শুধু সকালেই কেন স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বলা হবে। কিন্তু এটি সত্যি যে, সকালে সাধারণ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখাই যায়। যেমন-কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে গ্যাসের সমস্যা, মুখে দুর্গন্ধ, ব্রণ ওঠা, তেলতেলে ত্বক ও শেভ করতে গিয়ে কেটে যাওয়া ইত্যাদি।
দিনের শুরুতেই যদি এমন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় তাহলে বলাই বাহুল্য যে সারাদিন মেজাজটাও খিটখিটে থাকে। চলুন, জেনে নিই এই ছয়টি সমস্যার সমাধান।
১) যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এবং এই কারণে সকাল বেলাটা খুব খারাপ কাটে, তারা আগের দিন রাতেই একটি কাজ করে রাখবেন। ইসুপগুলের ভুষি রাতে
শোয়ার আগে এক গ্লাস খেয়ে নেবেন। আশা করা যায়, এতেই সকালে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা অনেকটাই লাঘব হবে। এই কাজটি নিয়মিত করতে হবে। আর সকালে
টয়লেট করতে যাওয়ার আগে গরম দুধ বা এক কাপ রঙ চা খেয়ে নিলেও আরাম পাবেন।
২) ঘুম থেকে উঠেই দেখলেন মুখে অনেক বড় একটা ব্রণ। কী করবেন? প্রথমত ব্রণে হাত দেবেন না। মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর মুখে মিনিট পাঁচেক গরম
পানির ভাপ নিন। তারপর তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে ব্রণের ওপরে চাপ দিন। এতে ব্রণের ভেতরকার দূষিত পদার্থ বের হয়ে আসবে। এবার অ্যান্টিসেপটিক
জাতীয় কিছু দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করে নিন। এতে ফুলবে না ও ব্যথা হবে না। তবে নিতান্ত প্রয়োজন না থাকলে ব্রণকে ব্রণের মতোই থাকতে দিন। এটি আস্তে আস্তে সেরে যাবে।
৩) ঘুম থেকে উঠেই যদি দেখেন মুখে জমে আছে এক গাদা তেল, তাহলে বাকি দিনটাও মুখ থাকে তেলতেলে? হালকা উষ্ণ পানিতে লবণ মিশিয়ে নিন। এই লবণ
মেশানো পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন কয়েকবার। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে নিন। ব্যস, বাকি দিন আর তেলতেলে মুখের সমস্যা হবে না।
৪) রাতের হাবিজাবি খাওয়ায় পেটে গ্যাস জমেছে? একটু পরপর ভুটভাট শব্দ হচ্ছে আর বায়ু নির্গত করছেন? নাস্তা খাওয়ার সাথে খেয়ে নিন কয়েক চামচ টক
দই। সারাদিন আর কারো সামনে বিব্রত হতে হবে না।
৫) মুখের দুর্গন্ধ ব্রাশ করার পরও যাচ্ছে না? পানি লবঙ্গ, এলাচি, দারুচিনি ও কমলার খোসা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। চাইলে ফ্রিজেও তৈরি করে রাখতে পারেন। রোজ
সকালে এই মিশ্রণ দিয়ে ভালো করে কুলি করে নিন। আবার এই মশলা ও আদা দিয়ে রঙ চা পান করতে পারেন। এতেও সহজেই মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।
৬) শেভ করতে গিয়ে অনেক সময় কেটে যায়। শেভ করার আগে মুখে খানিকটা ভ্যাসলিন মেখে নিন। তারপর মুখে শেভিং ফোম বা সাবান ঘষে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর শেভ করুন। চটজলদি কাজ হয়ে যাবে।