জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

Archive for the ‘স্বাস্থ্য’ Category

জীবন বাঁচবে পানি পানেই

পানিই জীবন বা জীবনের অপর একটি নাম পানি। এটি পান করে তেষ্টা নিবৃত হওয়া পর্যন্তই কেবলমাত্র পানির উপকারীতা সীমাবদ্ধ নয়। পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা আপনার শরীরকে বিভিন্ন ধরনের অসুখের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। আপনার ত্বককে করে তুলতে পারে উজ্জ্বল। আজকের ব্যস্ত জীবনে নিজের ত্বক ও শরীরের যত্ন নেওয়ার একটুও সময় নেই আপনার হাতে। কিন্তু পরিমানমত পানি খান আপনার শরীর থাকবে শান্ত রক্ষা পাবেন বহু অসুখ থেকে। আজ জেনে নিন পানি ঠিক কতটা উপকারী মানুষের জীবনে।
১) ওজন কমাতে সাহায্য করে: অতিরিক্ত ওজন বা ফ্যাট বেড়ে যাওয়া নিয়ে এখন মহিলা থেকে পুরুষ সবাই খুব চিন্তায়। প্রতিদিন সঠিক পরিমানে পানি পান করুন আর নিস্কৃতি পান এই চিন্তার হাত থেকে। পরিমিত পানি আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে দেয় এবং অপ্রয়োজনীয় খিদের হাত থেকে মুক্তি দেয় আপনাকে। পানির মধ্যে যেহেতু ক্যালোরির পরিমান একদম শূন্য তাই আপনার দেহের মেটাবলিসম বাড়াতে সাহায্য করে যা মুক্তি দেয় আপনাকে অতিরিক্ত মেদের হাত থেকে।
২) ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ায়: এই পাণীয়টি বাড়ায় মানবশরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা। মানবশরীরের প্রায় সমস্ত অসুখ হয় ইমিউনিটি ক্ষমতা কম থাকার জন্য। একটু খেয়াল করে দেখবেন কিছু মানুষ ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়েন, এর একমাত্র কারণ হল তাদের দেহের ইমিউনিটি ক্ষমতা বা আত্মরক্ষার শক্তি খুবই কম। তাই নিজেদের দেহের ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন খান ১ লিটার পানি।
৩) ত্বক উজ্জ্বল রাখে: আপনারা প্রত্যেকেই নিশ্চয় চান আপনার ত্বক ভাল থাকুক। তাহলে আজ থেকেই পরিমিত পরিমাণ পানি খাওয়া শুরু করুন। দিনে ১লিটার পানি পান করা শুধু আপনার স্বাস্থ্য না আপনার ত্বকের জন্য খুব উপকারী। পানি আপনার ত্বককে কোন ধরনের অ্যালার্জী বা ব্রণর হাত থেকে প্রতিরোধ করে। পানি হল আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করার সবথেকে সস্তা একমাত্র উপায়।
৪) ব্যাথা থেকে মুক্তি: কর্পোরেট অফিস হোক বা অন্য যে কোন কাজ, আজকাল প্রায় সমস্ত কাজই হয় কম্পিউটারের সামনে। কম্পিউটারের সামনে বেশিক্ষন বসে কাজ মানেই স্পন্ডিলাইটিশ থেকে মাথা ব্যাথা যে কোন ব্যাথা হবেই। এই ব্যাথা বেদনাকে খুব একটা আমল না দিলেও বয়সকালে ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে এগুলি। তাই সেই পর্যায় যাওয়ার আগেই মুক্তি পান ব্যাথার হাত থেকে। কিভাবে মুক্তি পাবেন? খুবই সহজ উপায় অকারনে পানি কম খাবেন না, কাজ করার ফাঁকে খান প্রচুর পরিমানে পানি। এই পানিই আপনাকে মুক্তি দেবে ব্যাথার প্রকোপ থেকে।

মানুষের দাঁত, বিমান বা গাড়ির চেয়েও শক্তিশালী

ইউ কে ইঞ্জিনিয়ার্স পরিক্ষা করে দেখেছে, দাঁত ওত্যন্ত শক্তিশালী জৈব উপাদান দ্বারা গঠিত। জিহ্বাকে ব্যবহার করে ছোট দাতের মধ্যমে অনেক শক্তিশালী খাদ্যকেও চিবিয়ে খেয়ে ফেলা হয়। দাঁত গবেষকরা গবেষণাগারে দাতের অতি ক্ষুদ্র টুকরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, তা খনিজ, প্রোটিন, ও যৌগিক দ্বারা গঠিত।
তারা আবিষ্কার করেন, এটা স্পাইডার সিল্ক এর চাইতেও অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। এমনকি মানুষের তৈরি যে কোন বস্তুর চাইতেও বেশি শক্তিশালী।
রয়েল সোসাইটি এর জার্নাল ইন্টারফেসে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মনুষ্যসৃষ্ট শক্ত কোন বস্তু যেমন বিমান, গাড়ি এবং নৌকা নির্মাণ করতে যে গোপন খনিজ তন্তু বা শক্ত উপাদান ব্যবহার করা হয় মানুষের দাঁত তার চাইতেও বেশি শক্ত তন্তু দ্বারা তৈরি। .
অধ্যাপক আসা বারবের গবেষণা নিয়ে আলোচনা করে বলেছেনছেন, ‘জীববিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে অনুপ্রেরণা একটি বড় উৎস’।
তিনি আরও বলেন, ‘দাঁত খুব ছোট ও সূক্ষ্ম ফাইবার দ্বারা গঠিত, এবং এই নকশা নীতির উপর অনুসরণ করে আমাদের নিজস্ব কাঠামো তৈরী সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত’।
দাতের কার্বন ফাইবার প্লাস্টিক যা লোহার খনিজের মধ্যে পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন বেস তন্তু যা দাতের মজবুত প্লাস্টিক হিসেবে কাজ করে।
একটি দাঁত নিজস্ব দৈর্ঘ একটি মিলিমিটারের চাইতেও কম, কিন্তু সঠিকভাবে পরিমাপ করার জন্য অধ্যাপক নাপিত এবং তার সহকর্মীরা একটি কুকুরের অণুমাত্র হাড় এর আকৃতি মধ্যে ১০ যৌগিক প্রসার্য শক্তি প্রয়োগ করে দেখেছেন যে সেটা ভাঙ্গার আগে নিজের শক্তি প্রয়োগ করতে সক্ষম।
জীববিজ্ঞানীদের অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে দাঁতের গঠন আর সামুদ্রিক ঝিনুক ও শামুকের গঠন প্রায় একই। দুটোই অত্যন্ত সুক্ষ ফাইবার দ্বারা গঠিত। তবে দাঁতই পৃথিবীর সবচাইতে শক্তিশালী তন্তু দ্বারা গঠিত বলে জীববিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

যৌন জীবনের জন্য বিয়ের প্রথম বছর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

বিয়ের প্রথম বছরটি দাম্পত্য জীবনের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়টাতে নতুন করেই সবকিছু শুরু করতে হয় সকলকে। এই সময়েই বোঝা যায় দাম্পত্য জীবনে কতোটা সফলতা আসতে পারে। যদিও সময় গেলে অনেক গভীরতা আসে সম্পর্কে কিন্তু তারপরও প্রথম বছরেই স্বামী ও স্ত্রী নিজেদের একে অপরের মনে স্থান করে নিতে যথাসম্ভব চেষ্টা করে চলেন। বিয়ের প্রথম বছরেই পুরো জীবনের পরিকল্পনার ভিত্তি তৈরি হয়ে যায়। তাই এই সময়টা দাম্পত্য জীবনের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
১) নতুন মানুষটিকে চিনে নেওয়ার সময় এটিই: ‘আরেঞ্জ ম্যারেজ’ বলুন বা ‘লাভ ম্যারেজ’ বিয়ের পর নতুন একটি পরিবেশে নতুন করে সব কিছু বুঝে নিতে হয়। যাকে প্রেমিক হিসেবে চিনতেন অথবা যাকে একেবারেই চিনতেন না তাকে নতুন করে চিনে নেয়ার সময় এটিই। এই সময়টাতে একেঅপরকে ভালো করে চিনে নিতে পারলে দাম্পত্য জীবন সুখে হয়।
২) এই প্রথম বছরেই বেশি সময় একসাথে কাটানো যায়: একে অপরকে বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে একসঙ্গে সময় কাটানো। একজন আরেকজনের কথা মন দিয়ে শোনা এবং অপর মানুষটিকে বোঝার চেষ্টা করা। প্রথম প্রথম একটু সমস্যা হলেও অনেকটা সময় একসঙ্গে কাটানো যায় বলে একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ জানা যায় এবং পার্টনারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মনোভাব তৈরি হয়। এতে করে দাম্পত্য সম্পর্ক গভীর হতে থাকে।
৩) শেয়ার করার জিনিসগুলো: একটি ঘরের সবকিছু, বেডরুম, রান্নাঘর, জিনিসপত্র সব শেয়ার করার বিষয়টির উপরেও কিন্তু দাম্পত্য জীবনের অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে। প্রথম বছরেই সঙ্গী সম্পর্কে অনেক কিছু শিখে নেয়া যায় সামান্য শেয়ারিংয়ের মনোভাব থেকে।
৪) দাম্পত্য কলহের সম্ভাবনা: কোনো দম্পতি একেবারেই কখনও ঝগড়া করেননি বিষয়টি অসম্ভব। ঝগড়া, দাম্পত্য কলহ সকল দম্পতিদের মধ্যেই দেখা যায়। কিন্তু বিয়ের প্রথম বছরেই সঙ্গীর পছন্দ অপছন্দ বুঝে নেওয়া, ছোটোখাটো বিষয়ে সঙ্গীর রিঅ্যাকশন সব দেখে বুঝে নেওয়া যায় আপনাদের দাম্পত্য কলহ হলে তা কতটা খারাপ রূপ নিতে পারে। তাই বিয়ের প্রথম বছর থেকেই কিছু জিনিস শিখে নিয়ে এড়িয়ে চলা যায় কঠিন কিছু কলহ।
৫) ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বিয়ের প্রথম বছরটিতেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে নেওয়ার বিষয়টি দাম্পত্য সম্পর্ক অনেক সহজ করে তোলে। ভবিষ্যতে কি হবে, কতটা ম্যানেজ করে চলা যাবে, সন্তান কখন নেওয়ার কথা ভাবা হবে-এই সব কিছুর পরিকল্পনা করে নেওয়ার সঠিক সময় বিয়ের প্রথম বছর।

নিয়মিত খাওয়া উচিত যে কারণে

বাড়তি ওজন কমাতে গিয়ে না খেয়ে থাকলে শরীরে নানান রকম প্রভাব পড়ে। তাই ওজন কমানোর স্বার্থে না খেয়ে থাকাটা মাঝে মাঝে দ্রুত সমাধান দিলেও কখনও স্থায়ী সমাধান নয়।
খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক এক ওয়েবসাইটে উপোস থাকার ফলে মানবদেহে যে নানান রকম প্রভাব ফেলে সে বিষয়ে জানানো হয়।
ব্রেইন ফগ বা অচেতন মস্তিস্ক
যদি কখনও উপলব্ধি করেন যে কাজে মনোযোগ আসছে না, নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বুঝতে কষ্ট হচ্ছে বা ভুলে যাচ্ছেন কিংবা নিজের চিন্তাভাবনা গুছিয়ে প্রকাশ করতে পারছেন না তাহলে নিশ্চিতভাবেই আপনি ‘ব্রেইন ফগ’য়ে আক্রান্ত হয়েছেন। আপনার মস্তিষ্ক মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়ছে।
রক্তে শর্করার পরিমাণ কম হলে এই ধরনের সমস্যা হয় এবং কথা বলতে জড়তা কাজ করে। পুষ্টিকর জলখাবার খেয়ে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
অবসাদ
সন্দেহাতীতভাবে বলা যায় যে অতিরিক্ত অনাহার মানসিক অবসাদ ডেকে আনে। খাদ্য হল শরীরের সকল শক্তির উৎস। একটি গবেষনায় দেখা গিয়েছে মানসিক অবসাদের পেছনে সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া এবং অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়ার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। অবসাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে আপনার দিন শুরু করুন স্বাস্থ্যকর যবের তৈরি সব খাদ্য দিয়ে।
হরমোনজনিত পরিবর্তন
নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া না করলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। এক-দুবেলা না খেয়ে থাকলেও আমাদের দেহ সাধারনত স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখতে পারে। কিন্তু নিয়মিত অনাহারের ফলে নিম্ন রক্তচাপ দেখা দেয়। ফলে দেহে হরমোনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। নিম্ন রক্তচাপের কারণে শরীরে ক্লান্তিভাব, মাথা ঘোরা এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। স্বস্তিকর অনুভূতি থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ভারী খাবার না খাওয়া গেলেও অন্তত স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে হবে।
বহুমুখী আচরণ ও বদমেজাজ
ডায়াবেটিস টেকনোলজি ও থেরাপিউটিক্স’য়ে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে রক্তে শর্করার পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যক্তির মধ্যে বহুমুখী আচরণ লক্ষ করা যায়। এসব ক্ষেত্রে ব্যক্তি একেক সময় একেক রকম মেজাজে থাকেন। এর মধ্যে বিরক্তি বা বদমেজাজও দেখায় অনেকে। সঠিক পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কার্বোহাইড্রেট দেহকে সুস্থ রাখে এবং দেহের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
পেশীক্ষয়
অতিরিক্ত অনাহারের আরেকটি ক্ষতিকারক দিক হল পেশীক্ষয়। এক-দুবেলা না খেয়ে থাকা হয়ত শরীরে বড় ধরনের ক্ষতি করে না। তবে নিয়মিত উপোস করলে দেহের মাংসপেশী ক্ষয় হতে থাকে। ফলে শরীরে স্থায়ীদুর্বলতা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে সুস্থ থাকার জন্য মুরগির মাংস কিংবা মাছেরমতো চর্বিহীন আমিষজাতীয় খাবার খেতে হবে।
অতিভোজন
সারাদিনে কতটা খাচ্ছেন তার উপর বিভিন্ন বিষয় নির্ভর করে। না খেয়ে থাকার ফলে উল্টাপাল্টা খাবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগায় যা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। নিয়মিত খাবার খেলে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না।
তাই নিয়মিত সঠিক পুষ্টিমানসম্পন্ন খাবার গ্রহণ করার অভ্যেস গড়ে তুলুন।
বিডিনিউজ 

আপনার সেক্স কেড়ে নেয় "ধুমপান"!

আমরা সবাই সিগারেটের প্যাকেটের ওপর সাধারণত একটাই ট্যাগ লাইন দেখতে পাই ‘সিগারেট খাওয়া স্বাস্হের পক্ষে ক্ষতিকর’, কিন্তু আপনি কি জানেন যে সিগারেট খাওয়া শুধুমাত্র স্বাস্হকেই ক্ষতি করে না আপনাদের সেক্স লাইফেও আঘাত হানে৷ বিভিন্ন রকমের ব্রেন্ডের এবং নানা রকম স্বাদের সিগারেট আজকাল মেয়েদের আকর্ষণ কাড়তেও ছাড়ে না! তাই খুব স্বভাবিক ভাবেই পরের দিকে ধীরে ধীরে নিজেদেরকে বিষণ্ণতার দিকে ঠেলে দেয়৷
সেক্সুয়েল থেরাপিস্ট ডা: বিজয়সারথি রামানাথন বলেন ধুমপান আমাদের রক্ত প্রবাহে ভীষণ চাপ সৃষ্টি করে এবং যার ফলে পুরুষদের ঋজুভাবকে ক্ষতি করে৷ তাই খুব স্বভাবিকভাবেই সেক্স লাইফকে ক্ষতি করে বিষণ্ণতার ও মানষিক রোগগ্রস্ত হয়ে পড়েন৷ সিগারেটের মধ্যে থাকা নিকোটিন শরীরের ধমনীর মধ্যে প্রচুর পরিমানে ফ্যাটি অ্যাসিড জমায়েত করে৷ ফলে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহকে প্রায় বন্ধ করে৷ তাই দ্বীতিয়বার সিগারেট ধরানোর আগে এটাও ভেবে রাখুন যে এই ধুমপান আপনার সেক্সের উত্তেজনাকেও কেড়ে নিতে পারে৷
আপনি কি জানেন আপনার সেক্স হরমোন টেসটস্টেরন লেভেলকে খুবই প্রভাবিত করে? ধুমপান, রক্তের মধ্যে কার্বনমোনক্সাইডের মান বাড়িয়ে দিয়ে এই সেক্স হরমোনটিকে সৃষ্টি হওয়ার থেকে বিরত করে৷ তাই ধুমপান শুধুমাত্র স্ট্রোক, ক্যানসারের কারণ নয় তা আপনাদের সেক্সের আনন্দও কেড়ে নিয়ে আপনার জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়৷

হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে পরস্পরবিরোধী মনোভাবে

একে অপরের প্রতি নিরাপত্তাহীনতার মনোভাব বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি ৷ নতুন এক গবেষণায় উটাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদ ব্রেট উচিনো জানিয়েছেন এই কথা ৷
বিজ্ঞানীরা প্রায় ১৩৬ জন দীর্ঘ দিন ধরে সংসার করা দম্পতিদের নিয়ে একটি গবেষণা করেন ৷ এই গবেষণায় তারা দেখেন একে অপরের প্রতি মনোভাব তাদের হৃদয়ের উপর প্রভাব ফেলে কিনা ৷ এদের মধ্যে ৩০ শতাংশ দম্পতিদের মধ্যে একে অপরের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে এবং বাকী ৭০ শতাংশ দম্পতির মধ্যে একে অপরের প্রতি মিশ্র প্রকৃতির মনোভাব পরিলক্ষিত হয়েছে ৷ একে গবেষকেরা পরস্পরবিরোধী মনে বলে উল্লেখ করেছেন ৷ এই গবেষণায় তাদের কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার মাত্রাও পরীক্ষা করা হয় এবং অন্যান্য দৈনন্দিন অভ্যেস যেমন শরীরচর্চা, ধূমপানের অভ্যাস ও খতিয়ে দেখা হয় ৷
গবেষকেরা দেখেন যে বেশির ভাগ দম্পতিই একে অপরের প্রতি বিরোধী মনোভাব পোষণ করেন এবং তাদের ধমণীতে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম উত্থাপন হয় এবং এই দম্পতিদের মধ্যেই হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি ৷ এথেকেই তারা জানিয়েছেন স্বামী স্ত্রীর একে অপরের প্রতি মিশ্র মনোভাব সম্পর্কের ভাঙনের মতো হৃদয়ের স্বাস্থ্যেও চিড় ধরাতে সক্ষম ৷
সম্প্রতি এই গবেষণাটি সাইকোলজিক্যাল সায়েন্সের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে ৷

হাঁটুর ব্যথা কমাবে আঙুর

হাঁটুর ব্যথা সকলেরই নিত্য নৈমিত্যিক সমস্যা ৷ অনেক উপায় অবলম্বন করেও এই সমস্যার স্থায়ী উপায় এখনও জানা যায়নি ৷ তবে এবার এক গবেষণায় উঠে এল এক নতুন তথ্য ৷ নিয়মিত আঙুর খেলে হাঁটুর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ৷ আঙুরে রয়েছে উচ্চমানের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং পলিফেনল যা হাঁটুর গাঁটকে নয়মনীয় ও গতিশীল করে তুলনে সক্ষম ৷
টেক্সাস ওমেন’স ইউনিভার্সিটির স্যানিল জুমার গবেষণায় উঠে এসেছে যে, আঙুর হাঁটুর অস্টিও আর্থারাইটিসের ব্যথা দূর করে এবং গাঁটের নমনীয়তা বাড়িয়ে তোলে ৷ এটি নারী, পুরুষ উভয়ের জন্যই আঙুর খুব উপকারি ৷ ৪৫ উর্দ্ধ মানুষেরা নিয়মিত এই ফল খেলে কয়েকদিনের মধ্যেই ফল পাবেন ৷
এছাড়াও আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬, ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়াম ৷ এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার. হৃদরোগের বিরুদ্ধেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে ৷