জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

Archive for the ‘বিচিত্র’ Category

মেয়ের সন্তান মায়ের গর্ভে! মৃত্যুর ৪ বছর পরে!

ব্রিটেনের এক নারীর মৃত্যুর চার বছর পরে জন্ম নিতে যাচ্ছে তার সন্তান! এই সন্তান বড় হয়ে উঠবে মৃত সেই নারীর নিজের মায়ের গর্ভে। ঘটনাটি সহজ নয়। কিন্তু মৃত মেয়ের এই শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে আইনি লড়াই লড়ে যাচ্ছেন ৫৯ বছর বয়সের এক ব্রিটিশ নারী। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আগে নিজের ডিম্বাশয় সংরক্ষণ করেছিলো তার মেয়ে।
ইচ্ছা ছিলো ভালো হয়ে উঠলে এই ডিম্বাশয়ে ডোনারের শুক্রানু নিয়ে বাচ্চা প্রসব করে মা হওয়ার সাধ মেটাবেন। প্রকৃতি তার সেই ইচ্ছা পূরণ করেনি। কিন্তু এবার নাছোর বান্দা হয়েছেন তা মা। তিনি বলেছেন, মেয়ের সংরক্ষিত ডিম্বানু নিজের গর্ভে ধারণ করতে
চান। আর ডোনার শুক্রানুতে তাতেই আসবে মেয়ের সন্তান, নিজের নাতি বা নাতনী। সম্ভব হলে সেটিই হবে বিশ্বের প্রথম এমন ঘটনা। ৫৯ বছরের ওই বৃদ্ধা ও স্বামী দুজনই এতে রাজি।
তারা বলছেন, এটি তাদের মেয়ের শেষ ইচ্ছা আর তারা তা পূরণ করতে চান। তারা মনে করেন তাদের একমাত্র মেয়েটিকে হারিয়েছেন। এখন এই একটি মাত্র উপায়েই তারা নানা-নানী হতে পারবেন।
চার বছর আগে বোয়েল ক্যান্সারে ২৬ বছর বয়সে মৃত্যু হয় তাদের মেয়েটির। ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার পর মেয়েটি তার ডিম্বানু হিমায়িত করে রাখে, ভবিষ্যতে মা হওয়ার ইচ্ছায়। কিন্তু রোগের সঙ্গে সংগ্রামে তার হার হয়।
এদিকে যুক্তরাজ্যের কোনও ক্লিনিকই এই চিকিৎসা দিতে রাজি হচ্ছে না। এতে ওই বাবা-মা তাদের মেয়ের হিমায়িত ডিম্বানু নিয়ে যেতে চান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে নিউইয়র্ক প্রায় লাখ খানেক ডলার খরচ করে তারা মেয়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে পারবেন।
তবে, ৫৯ বছরের এই নারীর পক্ষে ওই ডিম্বানুতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ বলে জানিয়েছে ক্লিনিকগুলো। তারা বলছে, এতে তার বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি হতে পারে। আর গর্ভধারণ হলেও সম্ভাব্য শিশুটিরও হতে পারে বড় কোনও শারীরিক সমস্যা।
সেটি অবশ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিষয়। আপাতত এই দম্পতিকে লড়তে হচ্ছে আইনি লড়াই। বিচারক তাদের পক্ষে রায় দিলে, এই নারীই হবেন বিশ্বের প্রথম যিনি তারা মৃত মেয়ের ডিম্বানু থেকে সন্তান ধারন করবেন।
যুক্তরাজ্যের হিউম্যান ফার্টিলিটি অ্যান্ড এমব্রোয়োলজি অথরিটি (এইচএফইএ) অবশ্য এরই মধ্যে ডিম্বানু যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে মৃত মেয়েটি কোনও স্পষ্ট লিখিত নির্দেশনা দিয়ে যায়নি, এটাই তাদের যুক্তি।
তবে তারা বাবা-মা এবার উচ্চ আদালতে যাচ্ছেন। তাদের দাবি মেয়েটি মৃত্যুর আগে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে গেছে। এদিকে, রাজনীতিক আর সামাজিক
গোষ্ঠীগুলোও বিষয়টি সহজভাবে নিচ্ছে না। মৃত্যুর চার বছর পরে কোনও নারীর সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না বলে মত তাদের।
নারীদের মেনোপজ হয়ে যাওয়ার পর ডোনার শুক্রানুতে গর্ভধারণ অসম্ভব এমনটা নয়। তবে এতে গর্ভপাত ও গর্ভজনিত অন্য কিছু জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তারপরেও বৃদ্ধ দম্পতি তাদের লড়াই লড়ে যাচ্ছেন। তবে এখনই ত‍ারা সংবাদমাধ্যমে তাদের নাম প্রকাশিত হোক সেটা চাইছেন না।

বিশ্ব ভালবাসা : প্রেমিক-প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখলেই বিয়ে

আসছে ১৪ ফেব্রুয়ারি হল ভ্যালেন্টাইনস ডে/ বিশ্ব ভালবাসা দিবস । আর এই দিন যদি কোনও প্রেমিক-প্রেমিকাকে গোলাপ ফুল হাতে দেখা গেলে কিংবা কোনো পার্কে আলিঙ্গনরত অবস্থায় দেখা গেলেই তাদের সমাজের নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে দেওয়া হবে। এমনকি যদি প্রেমিক ও প্রেমিকা এক ধর্মের বা গোত্রের না হন, তাহলে তাদেরকে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।
আর মাত্র ১০ দিন পরেই ভ্যালেন্টাইনস ডে/বিশ্ব ভালবাসা। আর এরই মধ্যে নড়েচড়ে বসল ভারতের পশ্চিম উত্তর প্রদেশের হিন্দু মহাসভা। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, এইদিন যদি প্রণয়ী যুগলরা একসঙ্গে উদযাপন করলে তাদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হবে। এই ধরণের পশ্চিমী প্রথা জনসমক্ষে উদযাপন করা ভারতের মতো দেশের শোভা পায় না ।আর তাই এই নিদের্শ হিন্দু মহাসভার।
মহাসবার সভাপতি চন্দ্র প্রকাশ কৌশিক একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ভারতের মতো দেশে বছরের ৩৬৫ দিনই ভালবাসার দিন। তবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন করার প্রয়োজন কী? আমরা ভালবাসার বিপক্ষে নই, কিন্তু যারা একে অপরকে ভালবাসে বলে দাবি করে তাদের অবিলম্বে বিয়ে করা উচিত্‍ বলে মন্তব্য করেন। আর যদি তারা আমাদের বলেন যে ভাবার জন্য সময় প্রয়োজন, তাহলে অবশ্যই তাদের একসঙ্গে ঘোরাফেরা করা উচিত্‍ নয় । আমরা ওদের অভিভাবকদেরও বিষয়টা জানাবো ।
হিন্দু মহাসভা দশ দিন আগে থেকেই বিয়ে নিয়ে ধন্দে থাকা প্রেমিক-প্রেমিকাদের খুঁজে বের করার জন্য পশ্চিম উত্তর প্রদেশে বিভিন্ন দল নিযুক্ত করেছে। এই গোষ্ঠীর আগ্রার প্রতিনিধি মহেশ চন্দনা জানালেন, যদি ভারতের সকল মানুষ হিন্দু হতেন তাহলে আমরা অসবর্ণ বিয়ে মেনে নিতাম। কিন্তু তা যেহেতু নয়, তাই প্রেমীযুগলকে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে ।
তবে উল্লেখ্য যে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি হিন্দু সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই বছর ভ্যালেন্টাইনস ডেতে জোর করে বিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকছে বজরঙ্গ দল। অন্যদিকে, হিন্দু মহাসভার মিরাটের প্রতিনিধি পন্ডিত অশোক শর্মা জানিয়েছেন যেসব হিন্দুরা অন্য ধর্মের প্রতি সহৃদয় তাদের ঘর ওয়াপসি প্রয়োজন। যাতে তারা অন্য কোনও ধর্মের অস্তিত্বই না স্বীকার করে। বুধবার চন্দ্র প্রকাশ কৌশিক মিরাটে গিয়ে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে ।

আইপ্যাডে সেক্স!!

আপনার আইপ্যাডই এখন হতে আপনার সেক্স পার্টনার। আইপ্যাডের দৌলতে বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে উপভোগ করতে পারবেন সেক্সের মজা। স্কাইপি হোক বা জিমেলে সেক্স চ্যাটে আর মন ভরাতে হবে না।
কথা বলতে বলতেই পাবেন রতিসুখ। আজগুবি মনে হচ্ছে? মোটেও না। সময় যে অনেকটা এগিয়েছে। প্রেমিকার সঙ্গে এখন রোজ দেখা হয় কোথায়? আপনিও ব্যস্ত, সেও। তাই সেক্স থেকে আপনারা দুজনেই বঞ্চিত।
সেই খামিত পূরণ করতে এবার উদ্যোগ নিল এক বিখ্যাত সেক্স-টয় প্রস্তুতকারী সংস্থা। ‘ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড’ খুব শিগগিরই এসে পড়বে মার্কিন নাজারে। যে কোনও আইপ্যাডের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যাবে এই ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড।
এটা আসলে যোনির আকৃতির এক অংশ। রবার টিউব জাতীয় উপাদানের তৈরি। কোনও দুষ্টু ছবি দেখতে দেখতে এই টিউবই আপনাকে দেবে রতির সুখ। নির্মাতাদের দাবি, সঙ্গিনীর সঙ্গে কথা বলার সময় বা চ্যাট করার সময় এই কৃত্রিম যোনিই আপনাকে দেবে স্বর্গসুখ।
আইপ্যাডের পর্দায় ভেসে ওঠা প্রেমিকার ছবি দেখতে দেখতে তাঁর সঙ্গে যৌন মিলনের সুখও পাওয়া যাবে বলেই দাবি সংস্থার। সংস্থার তরফে একে বলা হচ্ছে ‘ফ্লেশলাইট এক্সপেরিয়েন্স’। শুধু সেক্সে পটুরাই নয়, যারা একেবারেই আনকোরা, তাদেরও পরিপক্ক হতে সাহায্য করবে ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড।
সংস্থার তরফে দাবি, মাস্টারবেট করার সহজ উপায় হল লঞ্চপ্যাড ব্যবহার করা। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এর দামও রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যেই।

আড়াই লাখ টাকা ষাঁড়ের বীর্যের দাম!

প্রজননের কাজে ব্যবহৃত ভারতের ১৩টি ভাল জাতের ষাঁড়ের মধ্যে যুবরাজের জাত সবচাইতে ভাল। আর তাই এ কাজে যুবরাজের চাহিদাও প্রচুর, জানিয়েছে বিবিসি।
ভারতের কেন্দ্রীয় ষাঁড় গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান ইন্দ্রজিৎ সিং যুবরাজকে ‘চ্যাম্পিয়ন ব্রিডিং বুল’ উপাধি দিয়েছেন। ভারতে যুবরাজের বীর্যই এখন সম্ভবত সবচেয়ে দামি, এর প্রতিটি ডোজের মূল্য সাড়ে তিনশ রুপি।
ষাঁড়টির একবার বীর্যপাতে ৫০০ থেকে ৬০০ ডোজ বীর্য পাওয়া যায়। শুধু যুবরাজের বীর্য বিক্রি করেই এর মালিক কর্মবীর সিং বছরে ৩০ থেকে ৫০ লাখ রুপি আয় করেন।
বাড়িতে তরল নাইট্রোজেনের ৫০ লিটারের কন্টেইনারে মাইনাস ১৯৬ সে. তাপমাত্রায় জমাট বাঁধানো অবস্থায় বীর্য সংরক্ষণ করেন তিনি।
যুবরাজের গর্বিত মালিক সিং তিন পুরুষ ধরে হরিয়ানা প্রদেশে কৃষিকাজের সাথে জড়িত। তিনি বলেন, “প্রতিদিন কেউ না কেউ যুবরাজকে দেখতে আসে। সে কেবল একটি ষাঁড় নয়, একটি ব্রান্ড এখন।”
আর্কষণীয় আকৃতির যুবরাজের গায়ের রঙ খয়েরি-কালো মিশেলে। ওজন সাড়ে চারশ কিলোগ্রাম। লম্বায় ষাঁড়টি ১০ ফুট আর উচ্চতা পাঁচ ফুট আট ইঞ্চি।
মহাভারতে উল্লেখিত বিখ্যাত কুরুক্ষেত্র এলাকার সুনারিয়ন এলাকার বাসিন্দা কর্মবীর সিং দুই ডজন গরু ও ষাঁড়ের মালিক। তবে ভারতের প্রখ্যাত ক্রিকেট খেলোয়াড়ের নামে রাখা ‘যুবরাজ’ ষাঁড়টিই তার সবচেয়ে আদরের।
প্রায় সারা ভারত থেকেই ভাল জাতের ষাঁড়ের বীর্য নিতে খামারিরা যুবরাজের মালিকের শরণাপন্ন হন। উত্তর প্রদেশ থেকে আসা ললিত চৌধুরী প্রথমবারের মত যুবরাজের বীর্যের সন্ধানে এসে জানান, তিনি গত বছর মেরুত পশু মেলায় প্রথম যুবরাজকে দেখেন।
তিনি বলেন, “মেলায় যুবরাজ মানুষের চোখ কেড়ে নিয়েছিল। আমি এখন তার বীর্য সারা ভারতের খামারিদের কাছে বিক্রি করতে চাই।”

মেয়ের ধর্ষণের প্রতিশোধ : ধর্ষকের যুবতী বোনকে ধর্ষণ করল বাবা!

যুবতীকে ধর্ষণ করে শ্রীঘরে এক যুবক৷ কিন্তু মেয়ের ধর্ষণের প্রতিশোধ নিতে ধর্ষণের বোনকে ফের ধর্ষণ করলেন এক বাবা৷ এই অপরাধে ধর্ষকের এক ভাইও তাকে সাহায্য করে৷ তারা দুজনে যুবতীকে ধর্ষণ করে তাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়ে যায়৷
জ্ঞান ফেরার পর যুবতী নিজেকে রাস্তার উপর পরে থাকতে দেখে৷ তার শরীরের কাপড় ফাটা ছিল৷ এলাকার একটি বাড়িতে গিয়ে সে সাহায্য চাইলে এক মহিলা তাকে নিজের জামা কাপড় পরিয়ে ফের তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে৷
পুলিশকে যুবতী সমস্ত ঘটনার কথা জানায়৷ পাঞ্চাবের গুরুদাসপুর এলাকার ঘটনা৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, গুরুদাসপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবতী তার বয়ানে জানিয়েছে, তার দাদা তার খুড়তুতো বোনকে ধর্ষণ করে অমৃতসর জেলে বন্দি রয়েছে৷ সে প্রতি সপ্তাহেই দাদার সঙ্গে দেখা করতে জেলে যেত৷
ঘটনার দিনও সে সকাল ১০টা নাগাদ দাদার সঙ্গে দেখা করার জন্য বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিল৷ সেদিন জেলে গেলেও তার দাদার সঙ্গে দেখা হয়নি৷
বিকেল পাঁচটা নাগাদ গুরুদাসপুর ফেরার জন্য সে অমৃতসর বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছিল৷ সেসময়ই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে তার দেখা হয়৷ অভিযুক্তরা সম্পর্কে তার পিসতুতো ভাই ও কাকা৷ তারা অমৃতসরের বাসিন্দা৷ তারা জানায় তারাও তাদের গ্রামেই যাচ্ছে৷ এই কারণে যুবতী তাদের সঙ্গে আসে৷ বাস স্ট্যান্ডের বাইকে তারা যুবতীকে গাড়িতে বসায়৷
নির্যাতিতা জানিয়েছে, বটালার কাছে এসে এক জায়গায় গাড়ি থামিয়ে তার কাকা, ভাই ও গাড়ির চালক মদ খায়৷রাত ন’টা নাগাদ তারা বটালা থেকে রওনা দিলে এক নির্জন স্থানে গাড়ি থামিয়ে তার ভাই ও কাকা তাকে ধর্ষণ করে৷ তার পরেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে সে৷ জ্ঞান ফিরলে সে নিজেকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে৷
সেখান থেকেই স্থানীয় লোকেরা তাকে হাসপাতালে ভরতি করে৷ যুবতী জানায় তার দাদা তার কাকার মেয়েরে ধর্ষণ করে জেলে বন্দি৷ নিজের মেয়ের ধর্ষণের প্রতিশোদ নিতেই তার কাকা তাকে ধর্ষণ করেছে।

৬ হাজার টুকরো দিয়ে হীরের জুতো তৈরি!

ভারতের গুজরাট প্রদেশের সুরাটে প্রায় ১২ হাজার হীরের টুকরো দিয়ে একজোড়া জুতো তৈরি করা হচ্ছে। দুবাইয়ে বসবাসরত এক মক্কেলের চাহিদামাফিক সুরাটের আথওয়ালাইনসে একটি স্বনামধন্য গয়নার দোকানে এ জুতোজোড়া তৈরি হচ্ছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।
হীরে বসানো জুতো প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক দিলীপ শাহ্ জানান, প্রতিটি জুতোয় প্রায় ৬ হাজার টুকরো হীরে ব্যবহার করা হয়েছে। ‘আমরা সবচেয়ে ব্যয়বহুল একজোড়া জুতো তৈরি করছি। আমাদের তৈরি প্রথম হীরে বসানো জুতো হবে এটি’, বলেছেন দিলীপ।
বর্তমানে ভারতে হীরের তৈরি গয়না বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। গয়না বাদে নিত্যব্যবহার্য নানা সামগ্রীতেও এখন ভারতীয়রা হীরের ছোঁয়া দেখতে চাইছেন। এজন্য কোমরের বেল্ট থেকে শুরু করে পেনড্রাইভেও হীরে বসাচ্ছেন তারা! আর এক্ষেত্রে তাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে সুরাটের বিভিন্ন গয়নার দোকান। গয়নার নকশাকার বিকাশ জুনেলা সম্প্রতি এমনই একটি ক্লিপ তৈরি করেছেন, যাতে আছে মোট ৩০০টি হীরের টুকরা। দিল্লীর এক মক্কেলের ফরমায়েশে তৈরি এ ক্লিপের দাম প্রায় ২ লাখ রুপি।
এ ব্যাপারে মহিধরপুরের একটি গয়নার দোকানের মালিক প্রবীন নানাবতীর মন্তব্য, ‘হীরের প্রতি মানুষের আগ্রহ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। আমিই তো কিছুদিন আগে একটি ১৫০ রুপির কফি মগে হীরে বসালাম। এখন সেই সাধারণ মগটির দাম দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার রুপি।’
প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী জয়েশ সুতারিয়া ব্যবহার করছেন হীরেখচিত এমনই একটি সেলফোন। তিনি বললেন, ‘আমার ফোনে প্রায় ৭০০টি হীরে লাগানো আছে। এর দাম এখন ৪ লাখ রুপিতে ঠেকেছে।’
এ প্রসঙ্গে জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান চন্দ্রকান্ত সাংঘাভি বললেন, ‘পশ্চিমা দেশের মানুষদের মধ্যে এ ব্যাপারে আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে। ভারতে এ কাজটি করাতে খরচ কম হয়। ফলে আমরা এখন প্রচুর অর্ডার পাচ্ছি। এছাড়া দেশীয় চাহিদাও এখন বেড়েছে। সুতরাং এটি এখন বেশ লাভজনক ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

যৌন জীবনে নারীরা কেন একাধিক সঙ্গী খোঁজেন!

আপনি জানেন কি? যাবতীয় প্রাণিকুলের মধ্যে একমাত্র মানুষ যৌনতার বিশ্বস্ততা আর প্রতিশ্রুতি খোঁজে। কিন্তু কেন? বিজ্ঞানীরা এই প্রথমবারের মতো এই প্রশ্নের জবাব খুঁজেছেন। তারা জানান, অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে একজনমাত্র সঙ্গী বা সঙ্গিনী অথবা বহুজনের সঙ্গে যৌনজীবন অতিবাহিত করার স্বভাব থাকলেও তাদের মধ্যে বিশ্বস্ত থাকা বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া বিষয়টি নেই। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড এর এক দল গবেষক এ গবেষণা পরিচালনা করেন।

প্রধান গবেষক রাফায়েল ওডারস্কি জানান, নারী-পুরুষ সম্পর্কের ভিত্তিতে একসঙ্গে থাকতে পছন্দ করেন। তবে সম্পর্কে যখন যৌনতা চলে আসে, তখন আকস্মিকভাবে অনেকের মাঝে খাপছাড়া ভাব চলে আসে।এ গবেষণার কাজে অনলাইনে প্রশ্নের মাধ্যমে উত্তর আমেরিকা ও ব্রিটেনের ৫৮৫ জন নর-নারীর জবাব নেওয়া হয়। এদের বয়স ১৮-৬৩ বছরের মধ্যে হলেও গড় বয়স ছিল ২৫ বছর।

পাশাপাশি সম্প্রতি রাফায়েল ওডারস্কির আরেক গবেষণায় বলা হয়, ডানহাতের অনামিকা যদি তর্জনীর চেয়ে বেশি লম্বা হয় তবে তাদের চরিত্র নিয়ে কিছুটা সন্দেহ প্রকাশ করা যায়। জন্মের আগেই আঙুলের দৈর্ঘ্য নির্ধারিত হয়। গর্ভে থাকাকালীন সেক্স হরমোন শিশুর মাঝে কাজ শুরু করে। যাদের অনামিকা বেশি লম্বা হয়, তাদের মাঝে টেস্টোসটেরন হরমোনের প্রভাব বেশি থাকে। আর এটি অধিক সংখ্যক সেক্স পার্টনারের প্রতি চাহিদার জন্ম দেয়।

এই দুই গবেষণার তথ্য মিলিয়ে দেখা গেছে, পুরুষদের ৫৭ শতাংশ একাধিক যৌন সঙ্গিনীর প্রতি আকৃষ্ট। অন্যদিকে ৪৩ শতাংশ পুরুষ বিশ্বস্ত থাকতে চান। নারীদের ক্ষেত্রে ৪৭ শতাংশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন, তবে ৫৩ শতাংশ একজন সঙ্গীই চান।আরেক গবেষক রবিন ডানবার বলেন, যারা একজনের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে চান তারা নানা রকম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতির দ্বারা প্রভাবিত। তারা এর ব্যতিক্রমের যে বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সে সম্পর্কে সচেতন।

রবিন আরো বলেন, তবে যৌন আচরণের ক্ষেত্রে গর্ভে থাকাকালীন বিষয়টি কম প্রভাবশালী বলেই গণ্য করা যায়। জীবনের নানা অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষের যৌন আচরণ গড়ে ওঠে।কাজেই যৌনজীবন গড়তে ভিন্ন ধরনের মানুষ থাকবেই এবং এরা একেক দৃষ্টিকোণ থেকে এক বা একাধিক সঙ্গী-সঙ্গিনী বাছাই করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।