জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

ইস্ট লন্ডনের বার্কিংয়ে সুখী জীবনযাপন করছে ব্যতিক্রমী এক পরবিার। মারিয়া (৩৩), তার স্বামী পল (৩৭), তাদরে দুই সন্তান লরা (১৬) ও অ্যামি (১২) এবং মারযি়ার নতুন প্রেমিক পটিার গ্রুম্যান (৩৬) একই ছাদের নিচে বসবাস করছেন।
স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে প্রমেকি পটিাররে হাত ধরে ঘর ছেড়েছিলেন মারিয়া। কিন্তু একসময় স্বামী ও সন্তানদের অনুপস্থতি তীব্রভাবে অনুভব করনে তিনি আবার মারিয়া এটাও জানতেন, পটারকে ছাড়া তিনি বাঁচবেন না। স্বামী আর প্রেমিকের উদারতায় অবশেষে এভাবইে দো-টানা থেকে মুক্তি পান মারয়িা। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই।
মারয়িা বলনে, মানুষ মনে করতে পারে এটা অদ্ভুত ও অস্বাভাবিক। কন্তিু আমি দুই জনকইে ভালবাস। তাদরে মধ্য থেকে একজনকে বেছে নযে়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আমি যখন পলকে ছেড়ে যাই আমার জীবনে এক বিরাট শূন্যতা হয়। কন্তিু পটিারকে আর দখেতে না পাওয়ার চন্তিাও ছলি হৃদয় ভাঙার মতো। তাই দুই পুরুষরে সঙ্গে বসবাসই তৈরি হয় ছিল একমাত্র পথ।
মারযি়া বলনে, যখন তার স্বামী ও তার প্রমেকি ভাল বন্ধু হয়ে গলেনে, তিনি সবাই মিলে একসঙ্গে থাকার পরার্মশ দিলেন। তারাও একমত হলনে। ৩ বছর একবার স্বামী ও আরকেবার প্রমেকিরে কাছে যাওয়ার কষ্ট থেকেই পলেন মারিয়া
মারিয়ারর স্বামী পল জানান, পটার দারুণ মানুষ। প্রথমে মারিয়া আরেক জনকে ভালবাসায় আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। কন্তিু পটারকে জানার পর আমি বুঝলাম আমাদের মধ্যে অনেক মিল । আমরা দু’জনই মাছ ধরতে ভালবাসি। আর পিটার বললেন, আমাদরে মধ্যে কোন র্ঈষার সর্ম্পক নেই। আমরা একটি টিমের মতো।
পিটিয়া সোফায় ঘুমান। পল থাকেন ওপরের কক্ষে। মারিয়া তার বড় মেয়ের সঙ্গে একই ঘরে থাকেন। স্বামী ও প্রেমিক দুজনেরই সঙ্গেই শারীরিক সর্ম্পক থাকলেও মারিয়া জানালেন, তারা তিনজন কখনই এক বিছানায় রাত কাটান না।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: