জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

শিশুদের কথা শেখানোর একটি ভালো মাধ্যম হলো তাদের সঙ্গে কথা বলা, বাবা-মা ও ‍অন্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। কিন্তু নতুন একটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন শিশুদের সঙ্গে আলাপ করলে পরবর্তী জীবনেও তাদের কাজে লাগে।
সম্প্রতি একটি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তারা বলছেন, জন্মের পর থেকেই এক বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের সঙ্গে আলাপ করলে তাদের শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়। এতে যেকোনো পরিবেশে চলাফেরা করতে তাদের সুবিধা হয়। একইসঙ্গে ‍তারা সামাজিক হয়ে গড়ে ওঠে। খুব সহজেই যেকোনো মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পারে।
বিগত কয়েক বছরে ‘ওয়ার্ড গ্যাপ’ বিষয়ক বেশ কিছু গবেষণা করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। কেননা দেখা গেছে নতুন প্রজন্মের শিশুরা যথেষ্ঠ পরিমাণে সামাজিক হচ্ছে না, পাশাপাশি তাদের ভেতরে শব্দ সংকট দেখা যাচ্ছে।
ইলিনয়-এর ইভানস্টনে ‍অবস্থিত নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির মনস্তত্ত্ববিদ সান্দ্রা ওয়াক্সম্যান বলেন, শিশুদের শব্দ ভাণ্ডার কম হলে ত‍ারা অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে না।
অনেক ক্ষেত্রে যা বোঝাতে চায়, তাও সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে ন‍া। ২ থেকে ৩ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুরা কেবল ভাষা শুনতে পছন্দ করে এমন নয়, পরবর্তীতেও যেকোনো বয়সী মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়।
ডা. ভলুমানোস বলেন, শিশুদের কেবল শব্দ শে‍খানোর জন্য কথা বলাই জরুরি নয়। কথা শোনার মাধ্যমে শিশুদের ব্যক্তিত্ব গঠনে মৌলিক পরিবর্তন আনে।
গবেষকদের মতে, শিশুদের যোগাযোগ ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কথা বলা বই পড়ার চেয়ে চার গুণ বেশি কার্যকর।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: