জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

সম্পর্কের ব্যাপারে একে অন্যকে স্পেস দেওয়াটা খুব জরুরি৷কিন্তু বিয়ে থেকে সেক্স, সম্পর্ক থেকে সামাজিকতা, সবেতেই যদি দুজনের মধ্যে বিপরীতমুখী ভাবনাচিন্তা চলে, তাহলে ডিভোর্স অবশ্যম্ভাবী৷ তবে ডিভোর্সের পরে কী হয়, কীভাবে থাকে দুজনে এই নিয়ে দুনিয়ার তাবড় তাবড় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচুর গবেষণা হয়েছে৷আর তাতেই উঠে এসেছে তামাম আশ্চর্যজনক তথ্য৷
১) লন্ডনের কিংস্টোন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সীমক্ষায় জানা গিয়েছে, ডিভোর্সের পরবর্তী পাঁচ বছর ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা অনেক বেশি ফুর্তিতে থাকেন৷ কারণটা আর কিছুই নয়, সদ্যপ্রাপ্ত স্বাধীনতা৷তাদের ভাবনাচিন্তা থেকে নেগেটিভ চিন্তাটাই চলে যায়৷
২) কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষণা জানাচ্ছে আরও এক চমকপ্রদ তথ্য৷ টাকাপয়সার ভাগ-বাঁটোয়ারাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের জন্য দায়ী৷আর টাকাপয়সা নিয়ে অনেকেই এমন সব কুরুচিকর মন্তব্য করে বসেন যে সম্পর্কে পুরোপুরি চিড় ধরে যায়৷
৩) পুরুষরা যেভাবে ভাবেন , মহিলারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার বিপরীত মেরুতে চলতে পছন্দ করেন বলেই ইউনিভার্সিটি অফ অ্যারিজোনার গবেষকদের মত৷পুরুষরা যতই সংঘাত এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুক না কেন, মহিলারা কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করতে চান৷
৪) হংকং-এর সিটি ইউনিভার্সিটি লং ডিসটেন্স দম্পতিদের জন্য হাজির করেছে এক চমকপ্রদ তথ্য৷ এদের মতে, যেসব প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের থেকে দূরে থাকেন, তাদের মধ্যে আবেগ বেশি থাকে, যা অনেকসময় কাছাকাছি থাকার ফলেও সম্ভব হয় না৷কেননা লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপকে টিকিয়ে রাখতে দুপক্ষই সমান পরিশ্রম করেন৷ এবং এরা সম্পর্কের মূল্যও দেন৷
৫) তবে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে ব্রিটিশ জার্নাল অফ সাইকোলজি৷ এদের গবেষণা নিশ্চিতভাবে জানাচ্ছে, পুরুষরা মহিলাদের চেহারার দিকে তাকিয়েই অনুমান করে নিতে পারেন সম্পর্কটা শুধু প্রেম পর্যন্ত থাকবে, না তা বিয়ে অবধি গড়াবে৷
৬) আলাদা আলাদা খাটে শোওয়া দম্পতিদের মধ্যে সম্পর্ক ভিতর ভিতর খুবই মজবুত থাকে৷টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে এই চমকপ্রদ সত্যটি৷কারণ একা শুলে না কি ভালো ঘুম হয়৷ফলে মনও থাকে ভালো৷
৭) প্রতি তিনজনের মধ্যে দুজন পুরুষই ক্লান্ত৷ কারণটা, প্রতিটি ডেটিংয়ে একতরফাভাবে পয়সা করচ করতে করতে৷ এরা সকলেই চান মহিলারাও মাঝেমধ্যে কিছু শেয়ার করুন৷আর অর্ধেকের বেশি মহিলার বক্তব্য তারা পয়সা দিতে কোনওরকম কসুর করতে চান না৷ চ্যাপম্যান ইউনিভার্সিটির সৌজন্যে পাওয়া গিয়েছে এই তথ্যটি৷
৮) ডিভোর্স বর্তমান সমাজে একটা রোগের পর্যায়ে চলে গিয়েছে৷ কারণ আপনার বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে যদি কারও ডিভোর্স হয়, তাহলে আপনার মধ্যে সামান্য সমস্যাতেই ডিভোর্স করার সম্ভাবনাটা প্রায় ৭৫ শতাংশ বেড়ে যায়৷ব্রাউন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এ বিষয়ে শতকরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত৷

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: