জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

সাজগোজ যতোই হোক অপূর্ণ থেকে যায় ঠোঁট না রাঙালে। নরম কোমল সে ঠোঁটের সৌন্দর্য বাড়াতে নারীর দারুন নির্ভরতা লিপস্টিকে। ইচ্ছামতো রং আর আদ্রতা ধরে রাখতে লিপস্টিকের জুড়ি মেলা দায়। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ‘লিপস্টিক ব্যবহারে নারীর বুদ্ধি কমে যেতে পারে। মানুষের আচরণ ও শেখার ক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারণ, লিপস্টিকে থাকে ক্ষতিকারক সীসা’।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা ঠোঁট রাঙানোর এই পণ্যটি নিয়ে গবেষণা চালান। সম্প্রতি পরিবেশ বিষয়ক জার্নাল এনভায়রনমেন্টাল হেলথ পারসপেকটিভ গবেষণার প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অকল্যান্ডের ১২ জন তরুণীর ২২টি ব্র্যান্ডের লিপস্টিক ও লিপগ্লস সংগ্রহ করে ওই গবেষণা চালানো হয়।
গবেষণায় ওই ২২ ব্র্যান্ডের মধ্যে ১২টির লিপস্টিক ও লিপগ্লসে সীসার উপস্থিতি পাওয়া যায়। গবেষকরা আরও বলেন, লিপস্টিকে খুব কম মাত্রার সীসা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সামান্য এই সীসা জমতে জমতে একদিন মানুষের বুদ্ধি ও আচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়াও এটি মানসিক স্থিতির উপরেও খারাপ প্রভাব ফেলে। বিশেষত গর্ভবতীরা সীসাযুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করলে গর্ভজাত সন্তানের ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা পরামর্শ দেন, লিপস্টিক বা লিপগ্লস ব্যবহারের আগে এর উপাদান সম্পর্কে ভালো করে জেনে নেয়া উচিৎ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: