জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

যুক্তরাষ্ট্রের কম্পারেটিভ সাইকোলজি নামক জার্নালে বলা হয় যেসব নারীর বেশিসংখ্যক পুরুষ বন্ধু থাকে তাদেরকে তাদের জীবন সঙ্গীর অতিরিক্ত দৈহিক মিলনের আকাঙ্খা মেটাতে হয়। অন্তত যে যুগলের নারী সঙ্গীটির অল্প সংখ্যক পুরুষ বন্ধু থাকে তার তুলনায়তো বেশিই বটে। নুতন এক গবেষণায় এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে।

গবেষণায় এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় যে, পুরুষরা তাদের নারী সঙ্গীর পুরুষ বন্ধুদেরকে নিজের ‘যৌন প্রতিদ্বন্দ্বী’ মনে করে থাকেন।
গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ওকল্যান্ড বিশ্ব বিদ্যালয়ের মাইকেল ফাম বলেন, ‘এটাই মানুষের স্বভাব। আর এ কথাটিও আমাদের মনে রাখা দরকার যে, আমাদের সঙ্গী বা সঙ্গীনি আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান এবং অন্যদের কাছেও আকাঙ্খনীয়। আর এটাই আমাদেরকে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট থাকতে উদ্বুদ্ধ করে।’
‘আর নিজের সঙ্গী বা সঙ্গীনিকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে ঈর্ষাপরায়ণ করে তুলতে পারলে আপনার যৌন জীবন আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে।’
গবেষণায় নিজের সঙ্গীনির সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রায় ৪শ’ জন পুরুষের মতামত বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত টানা হয়।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদেরকে তাদের জীবন সঙ্গীনির আবেদনময়ীতা, তার কয়জন পুরুষ বন্ধু রয়েছে, সঙ্গীনির পুরুষ বন্ধুরা তাকে কতটা আবেদনময়ী মনে করে এবং গত সপ্তাহে সঙ্গীনির সাথে কতবার দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছেন প্রভৃতি বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষরা বলেছেন যে, তাদের সঙ্গীনির অনেক সংখ্যক পুরুষ বন্ধু রয়েছে তারা সঙ্গীনির সাথে বেশিবার দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছেন।
মাইকেল ফাম বলেন, ‘কেউ যখন তার সঙ্গী বা সঙ্গীনির অবিশ্বস্ততার কোনও ইঙ্গিত পান তখন তারা পরস্পরের প্রতি অতিরিক্ত যৌনাকাঙ্খা অনুভব করেন।’
যেসব নারীর বেশিসংখ্যক পুরুষ বন্ধু থাকে তাদেরকে তাদের জীবন সঙ্গীর অতিরিক্ত দৈহিক মিলনের আকাঙ্খা মেটাতে হয়। অন্তত যে যুগলের নারী সঙ্গীটির অল্প সংখ্যক পুরুষ বন্ধু থাকে তার তুলনায়তো বেশিই বটে। নুতন এক গবেষণায় এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে।
গবেষণায় এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় যে, পুরুষরা তাদের নারী সঙ্গীর পুরুষ বন্ধুদেরকে নিজের ‘যৌন প্রতিদ্বন্দ্বী’ মনে করে থাকেন।
গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ওকল্যান্ড বিশ্ব বিদ্যালয়ের মাইকেল ফাম বলেন, ‘এটাই মানুষের স্বভাব। আর এ কথাটিও আমাদের মনে রাখা দরকার যে, আমাদের সঙ্গী বা সঙ্গীনি আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান এবং অন্যদের কাছেও আকাঙ্খনীয়। আর এটাই আমাদেরকে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট থাকতে উদ্বুদ্ধ করে।’
‘আর নিজের সঙ্গী বা সঙ্গীনিকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে ঈর্ষাপরায়ণ করে তুলতে পারলে আপনার যৌন জীবন আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে।’
গবেষণায় নিজের সঙ্গীনির সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রায় ৪শ’ জন পুরুষের মতামত বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত টানা হয়।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদেরকে তাদের জীবন সঙ্গীনির আবেদনময়ীতা, তার কয়জন পুরুষ বন্ধু রয়েছে, সঙ্গীনির পুরুষ বন্ধুরা তাকে কতটা আবেদনময়ী মনে করে এবং গত সপ্তাহে সঙ্গীনির সাথে কতবার দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছেন প্রভৃতি বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষরা বলেছেন যে, তাদের সঙ্গীনির অনেক সংখ্যক পুরুষ বন্ধু রয়েছে তারা সঙ্গীনির সাথে বেশিবার দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছেন।
মাইকেল ফাম বলেন, ‘কেউ যখন তার সঙ্গী বা সঙ্গীনির অবিশ্বস্ততার কোনও ইঙ্গিত পান তখন তারা পরস্পরের প্রতি অতিরিক্ত যৌনাকাঙ্খা অনুভব করেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের কম্পারেটিভ সাইকোলজি নামক জার্নালে ওই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: