জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

sunপ্রচলিত একটি ধারণা হচ্ছে, দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকলে মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। প্রচলিত একটি ধারণা হচ্ছে, দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকলে মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তাহলে সূর্যালোকই তো ভালো। কিন্তু গবেষকরা ভীতিকর একটি তথ্য শুনিয়েছেন। তারা বলছেন, অল্প সময়ের জন্য উচ্চমাত্রার সূর্যালোক প্রাণঘাতী হতে পারে। দিনে কত ঘণ্টা সূর্যকিরণ পাওয়া যায়, তার সঙ্গে আত্মহত্যার হারের একটি সম্পর্ক বের করেছেন তারা। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এ নিয়ে কাজ করেছেন। সূর্যালোক আত্মহত্যা বাড়ায়!

তাদের মতে, কোনো একটি দিন বেশি রৌদ্রোজ্জ্বল হলে সেদিন আত্মহত্যার ঘটনা বেশি ঘটে। তবে তার আগের ১৪ থেকে ৬০টি দিন যদি এ রকম রৌদ্রোজ্জ্বল থাকে, তবে আত্মহত্যার হার বরং কমে যায়। অবশ্য রোদের এ প্রভাব নারী ও পুরুষের বেলায় এক রকম নয়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, সূর্যালোকের প্রভাবে মানুষের সেরোটনিনের মাত্রা পাল্টে যায়। এ রাসায়নিকটি মানুষের মুড বা মনোভাবের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। মানুষের আনন্দ বা ভালো থাকার অনুভূতির ওপর এ জৈব রাসায়নিকটির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। মানুষ ও প্রাণীদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুব্যবস্থায় এটির উপস্থিতি রয়েছে।

অস্ট্রিয়ায় ১৯৭০ থেকে ২০১০ সালের মে মাস পর্যন্ত সূর্যালোক ঘণ্টা ও আত্মহত্যার হারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এ দুয়ের মধ্যে একটি যোগসূত্র আছে বলে সিদ্ধান্ত নেন। ৮৬টি আবহাওয়া কেন্দ্র থেকে সূর্যালোক ঘণ্টা পরিমাপ করা হয়। এ ছাড়া ওই ৪০ বছরের আত্মহত্যার ঘটনাগুলোও বিশ্লেষণ করা হয়। দৈনিক ভিত্তিতে ঘটনা দুটি বিশ্লেষণ করেই তারা ওই উপসংহারে পেঁৗছান। খবর :মেইল অনলাইন।

সমকাল

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: