জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

kid-in-internetআধুনিক প্রযু্ক্তি সম্পর্কে ৪৫ বছরের কোনো নারী পুরুষের চেয়ে ৬ বছরের শিশুটি বেশি ধারণা রাখে। নতুন গবেষণা বলছে, স্মার্ট ফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার থেকে শুরু করে থ্রিডি প্রিন্টার, স্মার্ট গ্লাসেস যা কিছু উন্নত প্রযুক্তি গত দশকে এসেছে তা বড়দের পেছনে ফেলেছে আর পরিবারের ছোটদের সামনে এগিয়ে নিয়েছে।

ব্রিটেনের কমিউনিকেশন ওয়াচডগ অফকম তার জরিপে দেখিয়েছে ১৪-১৫ বছরের টিনেজাররা, যাদের জন্মই হয়েছে সহস্রাব্দের সন্ধিক্ষণে, এবং তারপরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দুনিয়ায় বেড়ে উঠেছে, তারা আজ প্রযুক্তির ব্যবহারে সবচেয়ে সাহসী-সক্ষম।

৫৫ বছরের বেশি বয়সিদের ৬০ শতাংশই স্বীকার করেছেন তাদের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে রিতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। আর ৬ থেকে ৮ বছরের শিশুরা এই প্রযুক্তি সঙ্গে অনেকটাই সহজ ও সাবলীল।

অফকম জানায়, ডিজিটাল যোগাযোগের ভবিষ্যতটি এই সহস্রাব্দ প্রজন্মের হাতেই গড়ে উঠবে। আজ যার বয়স আট বছর তার কাছে সামাজিক নেটওয়ার্কিং ফেসবুক, ইউটিউব আর টুইটারবিহীন যে একটি জগত ছিলো তা জানাই নেই। আর অন্যদিকে অনেক বয়ষ্ক ব্যক্তি আজ ই-মেইলের ব্যবহার শিখছে মাত্র।

২৮০০ ব্রিটিশ নাগরিককে একটি প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে জরিপের আওতায় আনে অফকম। এর মাধ্যমে তাদের ডিজিটাল কনফিডেন্স দেখার চেষ্টা করা হয়। এই জরিপে ৬ বছরের শিশুরা ৯৮ পয়েন্ট পায়, যা ১৪-১৫ বছরে ১১৩ পয়েন্ট পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। আর বয়ষ্করা পায় ৯৬ পয়েন্ট। ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত তা ৮০-৭৫ পয়েন্টে নেমে আসে।

বিডিমেইল

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: