জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

odauরংপুর মহানগরীর ধর্মদাস সর্দার পাড়া এলাকায় এক সুন্দরী শ্যালিকাকে নিয়ে লম্পট দুলাভাই গা ঢাকা দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ঈদুল ফিতরের দিন মঙ্গলবার বিকেলে রংপুর মহানগীর ধমদাশ সর্দারপাড়া গ্রামে। এই ঘটনায় ৩ বছরের সন্তান মাহিমকে বিপাকে পড়েছে বড় বোন বিউটি বেগম।

জানা গেছে, গত বছর আগে রংপুর মহানগরীর ধর্মদাশ সর্দারপাড়া গ্রামের আঃ লতিফের দ্বিতীয় কন্যা বিউটি বেগমের সাথে নগরীর আজিজুল্ল্যা পশ্চিম পাড়া এলাকার আঃ রহিমের পুত্র সেনা সদস্য মিজানুরের প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়। এর মধ্যে বিউটির কোলে আসে পুত্র সন্তান মাহিম। চাকুরী সুবাদে মিজানুর রহমান স্ত্রী বিউটি বেগমকে নিয়ে যশোরের কলাবাগান স্থানে বাসাভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।

এদিকে ছোট বোন লাবনী আক্তারের এইচ এস সি পরীক্ষা শেষ করে বড় বোন বিউটি বেগমের যশোর সেনাবাহিনীর সরকারী কোয়ার্টারে যান। সেখানে যাওয়ার পর ছোট শ্যালিকা লাবনী আক্তার লতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মিজানুর রহমানের।

এরই ধারাবাহিকতায় দুলাভাই মিজানুর রহমান সুন্দরী শ্যালিকাকে স্ত্রী বেউটি বেগমের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিজের প্রেমে বস করে নেয়। এবং তাদের মধ্যে চলে শারিরিক মেলামেশা। এই ঘটনা স্ত্রী বিউটি বেগম বুঝতে পেরে ছোট বোন লাবনী আক্তার লতাকে বোঝানোর চেষ্টা করে পরে তার স্বামী মিজানুরকে বোঝাতে গেলে সে বিউটি বেগমকে শারিরিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে। তখন বিষয়টি বিউটি বেগম তার বাবা আঃ লতিফ ও মা মমতাজ বেগমকে জানায়।

অপরদিকে বিউটির বাবা মা ছোট মেয়েকে ফেরত নিয়ে আসার চেষ্টা করলে মিজানুর ভুল বুঝিয়ে তাকে জোর পূর্বক রাখার চেষ্টা করে। বিউটি বেগম জানায়, তার ছোট বোন লাবনী আক্তার লতাকে ফাঁদে ফেলে এবং তার আপত্তিকর কিছু ছবি উঠায়। এতে করে আমার ছোট বোন লতা মিজানুরের ফাঁদ থেকে রেহায় পায় না।

তাই গত ঈদুল ফিতরের দিন (২৯ জুলাই’১৪) বিকাল ৪টায় আমার বাবার বাড়ি ধর্মদাস সদার পাড়া এলাকা থেকে মাইক্রোবাসে করে জোর পূর্বক মিজানুর আমার ছোট বোন লবনী আক্তার লতাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। ৩ দিনেও পরিবার জানতে পারেনি তার ছোট মেয়ে লতা এবং লম্পট সেনা সদস্য মিজানুর রহমান কোথায় আছে।

বিউটি বেগমের বাবা আব্দুল লতিফ জানান- মিজান যা করেছে তা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। মিজান আমার বড় মেয়ে বিউটিকে নিয়ে সংসার না করলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। মা মমতাজ বেগম লম্পট জামাইয়ের শাস্তি দাবী করেন। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: