জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

sANJOYকবি-ঔপন্যাসিক-সম্পাদক-সংগঠক সঞ্জয় ভট্টাচার্য ত্রিপুরার (এখন বলা হয় কুমিল্লা) শ্যামগ্রামে ১৯০৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। পরিতাপের বিষয় যে, তার মেধা, মননশক্তি, সাহিত্যপ্রেম, সৃজনীপ্রতিভা ইত্যাদির কারণে যে বিপুল খ্যাতি তার প্রাপ্য ছিল, পাঠকসমাজের কাছ থেকে তিনি তা পাননি। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, রবীন্দ্রপরবর্তী আধুনিক কথাশিল্পী ও
মেধাবী সমালোচক হিসেবে
তার স্থান নিঃসন্দেহে
শীর্ষদেশে।
তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। আইএসসি পরীক্ষায় (১৯২৮) তিনি ডিস্ট্রিক্ট স্কলারশিপ পেয়েছিলেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ১৯৩০ সালে বিএ এবং এর বহু বছর পর প্রাইভেটে এমএ পরীক্ষা পাস করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি পত্রিকা সম্পাদনা ও সাহিত্য সাধনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ছিলেন বিখ্যাত সুরকার অজয় ভট্টাচার্য।
সঞ্জয় ভট্টাচার্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীতি ‘পূর্বাশা’ মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ। অত্যন্ত দৈন্যদশার ভেতরেও তৎকালীন শ্রেষ্ঠ কবি-সাহিত্যিকদের রচনা তিনি বছরের পর বছর এ পত্রিকায় প্রকাশ করেছেন। তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস সম্ভবত ‘সৃষ্টি’। এছাড়া বৃত্ত, মরামাটি, অপরা প্রভৃতির কথাসাহিত্যের তিনি জনক। ‘তিনজন আধুনিক কবি’ তার অন্যতম বিখ্যাত সমালোচনাগ্রন্থ। বাংলা ছাড়া ইরেজি ভাষাতেও তার প্রচুর রচনা রয়েছে। তার অনুবাদের ভা-ারও অজস্র। বস্তুতপক্ষে গ্রন্থাকারে তার যতো রচনা প্রকাশিত হয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি লেখা অমুদ্রিত পড়ে আছে।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: