জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

সোহেল অটল
চিকিৎসকরা বলে থাকেন, বেশি বেশি হাসলে বেশি দিন বেঁচে থাকা যায়। কথাটির সত্যতা যাচাইয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের দরকার নেই। স্বাভাবিক জ্ঞানই এটি বুঝতে যথেষ্ট। কিন্তু এই সহজ সত্যটি এখন উপেক্ষিত বাংলা চলচ্চিত্রে। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে শিল্পসম্মত কমেডির বড্ড অভাব দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে কমেডি সেখান থেকে নির্বাসনে। অথচ এ দেশে এখনো বেঁচে রয়েছেন অনেক দর্শকনন্দিত কৌতুকাভিনেতা। বিশ্বের অন্যান্য দেশে কৌতুকনির্ভর চলচ্চিত্রের যেখানে জয়জয়কার, সেখানে এ দেশে এখন উপেক্ষিত। এই বৈসাদৃশ্য থেকে কি বেরিয়ে আসা যায়? লিখেছেন সোহেল অটল
চলচ্চিত্র সৃষ্টির প্রাক্কালেই কমেডিকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হতো। চলচ্চিত্র যেহেতু বিনোদনের উদ্দেশ্যেই নির্মিত হয়ে থাকে, সুতরাং কমেডিকে ধরা হতো চলচ্চিত্রের অপরিহার্য উপাদান। নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগেও এ ধারা বহাল ছিল। চার্লি চ্যাপলিন তার বড় প্রমাণ। আর সবাক চলচ্চিত্রের যুগ শুরু হলে প্রায় প্রতিটি চলচ্চিত্রেই কমেডি দখল করে থাকত বিশেষ একটা জায়গা। কারণ, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে হাস্যরসের প্রয়োজন। মানুষ যখন বুঝতে শিখেছে, ভাষার ব্যবহার করতে শিখেছে, তখন থেকেই বাচনভঙ্গির কারণে অন্য মানুষকে হাসাতে শিখেছে। পুলকিত হয়েছে মানুষ। ভাষার প্রয়োগ ও উচ্চারণের সাথে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির কারণে সে ভাষা আরো গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। এভাবেই ধীরে ধীরে এর প্রসার ঘটেছে। অঙ্গভঙ্গি ও সংলাপের মাধ্যমে অন্যকে আনন্দ দেয়া­ এ থেকেই কৌতুকের জন্ম। গুরুত্বের কারণে পৃথিবীর সব চলচ্চিত্রেই কৌতুক একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তবে এর শুরুটা যাত্রা থেকে। তারপর নাটক হয়ে চলচ্চিত্রে। ১৯৫৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে মুক্তি পায় এ দেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’। আবদুল জব্বার খান পরিচালিত এ ছবিতে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করেন সাইফুদ্দিন আহমেদ। চলচ্চিত্রের প্রথম দিকে আলাদাভাবে কৌতুকশিল্পী নির্বাচন করা হতো না। মূল চরিত্রের সাথেই কৌতুক জুড়ে দেয়া হতো। কিন্তু পরে বাংলা ছবিতে কৌতুক একটি বিশেষ জায়গা দখল করে নেয়। অনেক কৌতুকশিল্পীই জনপ্রিয়তার বিচারে নায়ক-নায়িকাকেও হার মানিয়েছেন। এর মধ্যে সুভাষ দত্ত (সুতরাং ছবির নায়ক), দিলীপ বিশ্বাস, আমজাদ হোসেন, হাসমত প্রমুখ শিল্পী অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনায়ও সফল ছিলেন। এ ছাড়া সাইফুদ্দিন, খান জয়নুল, সোনা মিয়া, রবিউল ইসলাম, আলতাফ, আশিষ কুমার লোহ, এটিএম শামসুজ্জামান, সুজা খন্দকার, টেলিসামাদ, লালু, মতি, জলিল, আনিস, নাজমুল হুদা বাচ্চু, ব্লাক আনোয়ার, দিলদার, সুরুজ বাঙ্গালী, আফজাল শরীফ, ইদ্রিস আলী, অনুপ, জ্যাকী, আলমগীর প্রমুখ ভাঁড় অভিনেতাও দর্শকমহলে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন। সন্দেহ নেই এসব ভাঁড় অভিনেতা তাদের অভিনয়-নৈপুণ্য দিয়ে আমাদের চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন এত দিন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এদের অনেকে এখনো বেঁচে থাকলেও কৌতুক অভিনেতা হিসেবে কদর কমতে শুরু করেছে। এখন আর বাংলা চলচ্চিত্রে আগের মতো কমেডির জন্য জায়গা রাখা হচ্ছে না। হলেও সেখানে মানসম্মত ভাঁড় অভিনেতাদের দেখাই যাচ্ছে না বলা চলে। যেখানে পাশের দেশে বলিউডে কৌতুকনির্ভর ছবির জয়জয়কার, সেখানে আমাদের চলচ্চিত্র এমন কৌতুকশূন্য হয়ে পড়ল কেন? এ প্রশ্নের জবাব জানতে চাওয়া হয়েছিল অভিনেতা সাইফুদ্দিনের কাছে। তিনি বিষয়টির বিশদ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘একজন কৌতুকশিল্পী শুধু একটি কথা বলেই সবাইকে হাসাতে পারেন। কথা না বলে শুধু অভিব্যক্তি বা অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমেও মানুষের হাসির খোরাক জোগাতে পারেন। নিজে না হেসে অন্যকে হাসানো, একজন কৌতুকাভিনেতার এটাই সবচেয়ে বড় গুণ বলে আমি মনে করি। পৃথিবীতে এমন অনেক অভিনয়শিল্পীই রয়েছেন যারা মৃত্যুর পরও দর্শকহৃদয়ে অমর হয়ে আছেন। আমরা যারা একসাথে কাজ করতাম, তাদের মধ্যে খান জয়নুল, আলতাফ, রবিউল ইসলাম, আনিস, মতি­ এদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ প্রতিভায় ছিলেন উজ্জ্বল। ছবিতে কৌতুক ছিল, আছে, থাকবেও বটে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে বাংলা ছবিতে কৌতুকের মান আশানুরূপ এগিয়ে যেতে পারেনি। আগের ছবিগুলোতে দৃশ্যের প্রয়োজনে কৌতুক আসত। তার পরের ছবিগুলোতে কৌতুকের প্রয়োজনে দৃশ্য আসা শুরু হলো। আর এখন তো কৌতুক বলে ছবিতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এখন কৌতুকের নামে যা দেখানো হয় তা এক প্রকার অশ্লীলতা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ কারণেই যারা মূলত কৌতুকশিল্পী হিসেবে পরিচিত, তারা নিজেদের গুটিয়ে নিতে শুরু করেন। কারণ তথাকথিত কৌতুকদৃশ্যে আসলে এসব শিল্পীর করার কিছুই থাকে না। অন্য দিকে কৌতুকের মান কমে যাওয়ায় কৌতুকাভিনেতাদেরও সামাজিকভাবে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। কারণ মানহীন অশ্লীল কৌতুকের দায়ে সাধারণ মানুষ কৌতুকাভিনেতাদের কিছুটা বাঁকা চোখে দেখতে শুরু করেন। আর এখন তো বাংলা ছবি থেকে কৌতুক প্রায় নির্বাসনে। কৌতুকই যদি না থাকে তাহলে কৌতুকাভিনেতা থাকবে কী করে?’
সাইফুদ্দিনের কথার সাথে অনেকটা একমত দেশের বিশিষ্ট চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের অনেকে। চাষী নজরুল ইসলাম অনেক দিন থেকেই এ দেশের চলচ্চিত্রের সাথে জড়িয়ে আছেন। কৌতুক নিয়ে চলচ্চিত্রের এই যে দিনবদল, এ সম্পর্কে তার কথা, ‘আসলে সময়ের সাথে সব কিছুই বদলে যায়। আগে পরিচ্ছন্ন ছবি তৈরি হতো, গল্পের প্রয়োজনে পরিচ্ছন্ন কৌতুকও এসে যেত। এ কারণে তখনকার কৌতুকাভিনেতারা এখনো মানুষের মনে সমুজ্জ্বল। কিন্তু পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে কৌতুককে ব্যবহার করা হতো ভিন্ন উদ্দেশ্যে। অশ্লীল ছবি তৈরিতে মত্ত নির্মাতাদের প্রায় সবাই কৌতুক দেখানোর নামে অশ্লীল সংলাপ ও দৃশ্য সংযোজন করে দেখাত। ফলে কৌতুকের মান একেবারেই পড়ে গিয়েছিল। যাদের আমরা কৌতুকাভিনেতা হিসেবে জানতাম, সঙ্গত কারণে তারা একে একে চলচ্চিত্র ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেন। ফলে চলচ্চিত্র হয়ে পড়ে কৌতুকাভিনেতাশূন্য। এসব শিল্পীর অনেকেই এখনো বেঁচে আছেন, অভিনয়ের ইচ্ছেও রয়েছে। কিন্তু তাদের নিয়ে কৌতুকসমৃদ্ধ ছবি তৈরির উদ্যোগ এখনো দেখা যাচ্ছে না। ফলে চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ, কমেডিকে আমরা হারাতে বসেছি।’ কমেডি বাংলা চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নেয়ার ফলে এক শ্রেণীর দর্শকও বাংলা চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন বলে অনেকে মনে করেন। কারণ, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার দর্শকের অনেকেই চলচ্চিত্রে কমেডিকে অপরিহার্য মনে করেন।
কৌতুক নির্বাসনে যাওয়ার পেছনে আরেকটি কারণও উল্লেখ করেছেন অনেকে। সংলাপ রচয়িতারা আগের মতো দক্ষতার সাথে মূল গল্পে কৌতুকের সমন্বয় ঘটাতে পারেননি। এই না-পারার কারণে অশ্লীল ছবির নির্মাতারা নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী কৌতুকদৃশ্য সংযোজন করেন। তবে এর দায় পুরোটাই নিজেদের কাঁধে নিতে নারাজ কিছু এ কালের চিত্রসংলাপ-রচয়িতা। তারা মনে করেন, ‘একটা ছবির কাহিনী কেমন হবে সেটা আগে থেকেই পরিচালক আমাদের জানিয়ে দিয়ে থাকেন। সেখানে নিজেদের ইচ্ছেমতো চরিত্র সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। অনেক সময় পরিচালকরা জোর করে আমাদের দিয়ে অশ্লীল সংলাপ লিখিয়ে নিতেন। আমরা অপারগতা প্রকাশ করলে নিজেরাই সেই কাজটি করে নিতেন। ফলে সংলাপ রচনার ক্ষেত্রে আমাদের একটা বাধ্যবাধকতা থাকত সব সময়। অশ্লীল ছবি নির্মাণের যুগে এসব হামেশাই ঘটত।’ এটা সত্য কথা, আমাদের চলচ্চিত্রের যা কিছু অর্জন তার অনেক কিছুই অশ্লীল চলচ্চিত্র নির্মাণের যুগে ধুয়েমুছে গেছে। তার মধ্যে এই কমেডিও একটা। তবে এবার বোধ হয় ঘুরে তাকানোর সময় হয়েছে। হলিউড, বলিউডসহ সমগ্র বিশ্বে এখন কমেডি ধারার ছবির জয়জয়কার চলছে। বলা চলে কমেডি-নির্ভর ছবিই শাসন করছে বর্তমান সময়টা। আর মানসম্পন্ন কমেডির দর্শকপ্রিয়তা নিয়ে কোনোকালেই প্রশ্ন ছিল না। তার প্রমাণ সেই চার্লি চ্যাপলিন থেকে মিস্টার বিন। আর হলিউড কিংবা বলিউডের সব বড় বড় সুপারস্টার পর্যন্ত রোমান্টিক প্রেম কিংবা পর্দা কাঁপানো অ্যাকশন ফেলে ক্রমান্বয়ে বন্দী হচ্ছেন এই কমেডির ঘেরাটোপে। অভিনেতা হিসেবে নিজেদের উচ্চ অবস্থানে পৌঁছানোর সিঁড়ি হিসেবে সবাই বেছে নিচ্ছেন কমেডিকে। ঠিক তখনি এ দেশের চলচ্চিত্রে মন্দাবস্থা কাটাতে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মঙ্গলকামীদের। তবে এবার বোধ হয় সুযোগ হয়েছে ‘সময়কে সাথে নিয়ে চলার’। আর কত পেছনে পড়ে থাকব আমরা? এ ব্যাপারে দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের বর্ষীয়ান নির্মাতাদের দায়িত্ব নেয়া দরকার। এখনো অনেক কৌতুকাভিনেতা বেঁচে রয়েছেন। তাদের অনেকের মনেই সুপ্ত আশা, ‘আবার বোধ হয় অভিনয় করতে আমাকে ডাকা হবে!’ অনেকে ক্ষোভের সাথে বললেনও অনেক কথা। অভিজ্ঞ কৌতুকাভিনেতা আনিস বলেন, ’৭২-৭৩ সালের পর থেকে আর আমাদের চলচ্চিত্রে কৌতুকের মান যথাস্থানে থাকেনি। কৌতুকের নামে ভাঁড়ামিতে পূর্ণ থেকেছে প্রায় সব নির্মাতার ছবিই। অথচ বিশ্বের অন্যান্য দেশের চলচ্চিত্রের দিকে তাকান। তারা কৌতুকটাকে কতটা ওপরে তুলে নিয়ে গেছেন। আমার আফসোস হয়, প্রচুর প্রতিভাময় কৌতুক শিল্পী থাকতেই আমরা তাদের কাজে লাগাতে পারিনি ঠিকমতো। এখনো নির্মাতাদের ঘুম যেন ভাঙেনি। আমরা যারা কৌতুকশিল্পী বেঁচে আছি, তাদের সবারই সামর্থø রয়েছে শিল্পসম্মত অভিনয় উপহার দেয়ার। দুঃখের বিষয় কেউ এসে আমাদের অভিনয় করতে বলে না।’ দুঃখ থেকেই ক্ষোভের সৃষ্টি। এ জন্য ক্ষোভের সাথেই কথাগুলো বললেন বিশিষ্ট কৌতুকাভিনেতা আনিস। আনিসের এ আহাজারি কি নির্মাতাদের কর্ণপাত হবে? চিত্রনাট্য-লিখিয়েদের কি শিল্পের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বিবেচনার জন্য মাথায় উঠে আসবে?
বেশ কিছু এ কালের নির্মাতা কথা দিয়েছেন সুযোগ থাকলে তারা আবার ছবিতে মানসম্মত কৌতুকের প্রবেশ ঘটাবেন। মৃতপ্রায় এ শিল্পকে জাগিয়ে তোলার প্রাণান্ত চেষ্টা করবেন। তবে তার জন্যও তাদের কিছু শর্ত রয়েছে। প্রথমত কমেডি-নির্ভর ছবি বানালে নতুন চরিত্রের প্রবেশ ঘটবে। সঙ্গত কারণে ছবির বাজেটও বেড়ে যাবে।
আর শিল্পের খাতিরে ছবির এই বাজেট বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রযোজকদের। এতে আখেরে লাভ বৈ লোকসান হবে না। কারণ, এখনো শুধু কৌতুক দেখার জন্য ছবি দেখতে হলে যাওয়ার লোক অনেক রয়েছে এ দেশে। ফলে ছবিতে কমেডির সংযোজন দর্শক বাড়াবে বৈ কমাবে না; যদি সেটা গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী শিল্পসম্মত কৌতুক পরিবেশন হয়। কৌতুকাভিনেতাদের মধ্যেও অনেকে আশাবাদী শিগগিরই নির্মাতারা তাদের ডাকবেন। যেহতেু চলচ্চিত্রাঙ্গনে একটা পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে, সেখানে অনেক কিছুই এখন আশা করা যেতে পারে। বাংলা চলচ্চিত্রকে আরো শক্তিশালী করতে, দর্শকের আরো কাছে পৌঁছে দেয়ার কর্তব্যে অচিরেই ছবিতে আগের মতো কমেডি থাকবে, সেখানে কৌতুকাভিনেতারা শিল্পসম্মত কৌতুক উপস্থাপন করবেন, এ প্রত্যাশা সবার।

Advertisements

Comments on: "এ সময়ের বাংলা চলচ্চিত্র কমেডি যেখানে নির্বাসনে" (1)

  1. মোঃ মোফাজ্জল হোসেন সহেল রান said:

    বর্তমানে বাংলাদেশের ছবিই অনেকাংশেই পিছিয়ে আছে। বাংলা ছবি একেবারে হারিয়ে যাওয়ার পথে। আর এ হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হল কৌতুক অভিনেতার বিশেষ অভাব। গল্পকে আরো উন্নত করা প্রয়োজন। তাই পরিচালক ও প্রযোজকদের কে অনুরোধ করবো যেন তারা ভালো কৌতুক অভিনেতা নিয়োগ দেয়। আমি নিজেও কৌতুক অভিনেতা হতে ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু ইচ্ছা থাকলে কি হবে আমরাও কখনোও এমন সুযোগ পাবো না।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: