জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

ড. আ বু ল আ জা দ
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবিও। তিনি পরাধীন দেশে জন্মেছিলেন। এই পরাধীনতার মর্মপীড়া আর শৃঙ্খল-মুক্তির অদম্য বাসনা তাকে বিপ্লবাত্মক ও সাম্যবাদী ধারার রাজনীতি এবং সাহিত্য-সঙ্গীতের জগতে আত্মপ্রকাশে উদ্বুদ্ধ করে। সাহিত্যিক জীবনের সূচনালগ্নে ধূমকেতুর মতোই আবির্ভাব ঘটে তার এবং করাচির সেনানিবাস থেকে কলকাতা আগমনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বাংলা সাহিত্যের দিকপালদের। ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’, ‘সওগাত’ ও ‘মোসলেম ভারত’-এর নানা রচনায় এবং সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা ‘নবযুগে’ প্রতিবাদী ধারার প্রবন্ধ রচনার মাধ্যমে ঘটে তার আত্মপ্রকাশ। বিশেষ করে ‘মোসলেম ভারত’ ও ‘বিজলী’তে প্রায় একই সময়ে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি রচনা করে বাঙালি সমাজে তিনি হয়ে ওঠেন জনপ্রিয় ‘বিদ্রোহী কবি’। আর ১৯২২ সালে অর্ধ সাপ্তাহিক ‘ধূমকেতু’তে ব্রিটিশ শাসকদের সাম্রাজ্যলিঞ্ঝা ও শোষণ-নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং সর্বাত্মক স্বাধীনতার দাবি উত্থাপনের জন্যও দেশবাসীর কাছে তিনি হয়ে ওঠেন বিদ্রোহের মূর্ত প্রতীক।

পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির জন্য সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের তাগিদ জানানোই শুধু নয়, বিদ্রোহের আহ্বান এবং পরবর্তীকালে গণআন্দোলনের ডাক তার রাজনৈতিক ও সমাজমনস্ক সাম্যবাদী ভাবনারই ফসল। প্রকৃতপক্ষে বিপ্লবাত্মক চেতনার পরিণতি হিসেবেই তার মনোভূমিতে এই সাম্যবাদী চেতনা বিকাশ লাভ করে। আর তা প্রকাশের প্রধান অবলম্বন ছিল সমকালের পত্র-পত্রিকা, রাজনৈতিক মঞ্চ ও তরুণ-যুব সমাবেশ।

সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই নজরুল ইসলামের রচনা আমরা পেয়েছি। যদিও তিনি পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত কবি হিসেবেই। তার স্বাতন্ত্র্য, ঐতিহ্য, জাতীয়তাবাদী চেতনা ও স্বাধীনতার অন্বেষণ এবং বিদ্রোহ-বিপ্লবের বাণীমণ্ডিত উচ্চস্বরটি এদেশের মানুষের চেতনাকে সেদিন গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। এমনি করেই পরাধীন মাতৃভূমি ও নির্যাতিত দেশবাসী হয়ে উঠেছিল তার রচনার প্রধান উপজীব্য।

মহাকবি হাফিজের সঙ্গে নজরুলের কালগত ব্যবধান কয়েক শতাব্দীর। দুস্তর সময়ের পরিক্রমায় ফার্সি ভাষা প্রচলনের সুবাদে হাফিজ তার সমকালেই বাংলায় ব্যাপক পরিচিত ছিলেন ফারসি সাহিত্যের অমর কবি হিসেবে। হাফিজকে বাংলায় পরিণত ঐশ্বর্য সম্পদে রূপান্তর করেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এ প্রসঙ্গে নজরুলের মুখেই শোনা যাক বাকি কথা,

‘আমি তখন স্কুল পালিয়ে যুদ্ধে গেছি। সে আজ ইংরেজি ১৯১৭ সালের কথা। সেইখানে প্রথম আমার হাফিজের সাথে পরিচয় হয়। আমাদের বাঙালি পল্টনে একজন পাঞ্জাবী মৌলবী সাহেব থাকতেন। একদিন তিনি দীওয়ান-ই-হাফিজ থেকে কতকগুলি কবিতা আবৃত্তি করে শোনান। শুনে আমি এমনই মুগ্ধ হয়ে যাই যে, সেইদিন থেকেই তার কাছে ফার্সি ভাষা শিখতে আরম্ভকরি। তারই কাছে ক্রমে ফার্সি কবিদের প্রায় সমস্ত বিখ্যাত কাব্যই পড়ে ফেলি।

তখন থেকেই আমার হাফিজের ‘দীওয়ান’ অনুবাদের ইচ্ছা হয়। কিন্তু তখনো কবিতা লিখবার মত যথেষ্ট সাহস সঞ্চয় করে উঠতে পারিনি। এর বৎসর কয়েক পরে হাফিজের দীওয়ান অনুবাদ আরম্ভকরি। অবশ্য তার রুবাইয়াৎ নয়-গজল। বিভিন্ন মাসিক পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়েছিল। ত্রিশ-পঁয়ত্রিশটি গজল অনুবাদের পর আর আমার ধৈর্যে কুলোল না এবং ঐখানেই ওর ইতি হয়ে গেল।

তারপর এস.সি. চক্রবর্তী এণ্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী মহাশয়ের জোর তাগিদে এর অনুবাদ শেষ করি। যে দিন অনুবাদ শেষ হ’ল, সেদিন আমার খোকা বুলবুল চলে গেছে।

আমার জীবনের যে ছিল প্রিয়তম, যা ছিল শ্রেয়তম তারই নজরানা দিয়ে শিরাজের বুলবুল কবিকে বাঙলায় আমন্ত্রণ করে আনলাম। ঃআমার আহ্বান উপেক্ষিত হয়নি। যে পথ দিয়ে আমার পুত্রের ‘জানাযা’ (শবযান) চলে গেল, সেই পথ দিয়ে আমার বন্ধু, আমার প্রিয়তম ইরানী কবি আমার দ্বারে এলেন। আমার চোখের জলে তার চরণ অভিষিক্ত হ’লঃ।’

খুব দুঃসময়ে পুত্রের মৃত্যুশয্যায় বসে কবি ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ এর অনুবাদ সম্পন্ন করেন। তাই কবি যথার্থই বলেন, যে পথ দিয়ে আমার পুত্রের শবযান চলে গেল, সে পথ দিয়েই এলেন তার প্রিয়তম ইরানী কবি হাফিজ।’ ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ অনুবাদ কাব্যের উৎসর্গপত্রে কবি লিখেছেন,

বাবা বুলবুল!

তোমার মৃত্যু-শিয়রে বসে ‘বুলবুল-ই-শিরাজ’

হাফিজের রুবাইয়াতের অনুবাদ আরম্ভকরি। যেদিন

অনুবাদ শেষ করে উঠলাম, সেদিন তুমি আমার

কাননের বুলবুলি উড়ে গেছ। যে দেশে গেছ তুমি,

সে কি বুলবুলিস্তান ইরানের চেয়েও সুন্দর?

২.

রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ নজরুল ইসলাম অনূদিত বাংলা ভাষায় বহুল প্রচারিত ও পঠিত একমাত্র সফল অনুবাদ কাব্য। এর ‘মুখবন্ধে’ কবি নজরুল হাফিজের সঙ্গে তার পরিচয় এর বর্ণনাসহ ভক্তি-স্তুতির বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন। আর গ্রন্থের একদম শেষ পর্যায়ে ‘বুলবুল-ই-শিরাজঃ মরমী কবি হাফিজের সংক্ষিপ্ত জীবনী’ শিরোনামে কবি হাফিজের জীবনী অন্তর্ভুক্ত করেন। পারস্যের মরমী কবি হাফিজকে জানতে হলে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ অবশ্য পঠিতব্য একটা সংক্ষিপ্তাকারের পরিপূর্ণ গ্রন্থ।

এ প্রসঙ্গে গ্রন্থের মুখবন্ধে নজরুল উল্লেখ করেন,

‘সত্যকার হাফিজকে চিনতে হলে তার গজল গান প্রায় পঞ্চশতাধিক পড়তে হয়। তার রুবাইয়াৎ বা চতুষ্পদী কবিতাগুলো পড়ে মনে হয়, এ যেন তার অবসর সময় কাটানোর জন্যই লেখা। অবশ্য এতেও তার সেই দর্শন, সেই প্রেম, সেই শারাব-সাকি তেমনিভাবেই জড়িয়ে আছে।

এ যেন তার অতল সমুদ্রের বুদবুদ-কণা। তবে এ ক্ষুদ্র বিশ্ব হলেও এতে সারা আকাশের গ্রহ-তারার প্রতিবিম্ব পড়ে একে রামধনুর কণার মত রাঙিয়ে তুলেছে। হয়ত ছোট বলেই এ এত সুন্দর।

আমি অরিজিন্যাল (মূল) ফার্সি হতেই এর অনুবাদ করেছি। আমার কাছে যে কয়টি ফার্সি ‘দীওয়ান-ই-হাফিজ’ আছে, তার প্রায় সব কয়টাতেই পঁচাত্তরটি রুবাইয়াৎ দেখতে পাই। অথচ ফার্সি সাহিত্যের বিশ্ববিখ্যাত সমালোচক ব্রাউন সাহেব তার ঔর্ধ্রমরহ মত র্ণেরধটভ ীর্ধণরর্টলরণ-এ এবং মৌলানা শিবলী নৌমানী তার ‘শেয়রুল-আজম’-এ মাত্র ঊনসত্তরটি রুবাইয়াতের উল্লেখ করেছেন; এবং এই দুজনই ফার্সি কবি ও কাব্য সম্বন্ধে টর্লদমরর্ধহ-বিশেষজ্ঞ। আমার নিজেরও মনে হয়, ওদের ধারণাই ঠিক।

হাফিজকে আমরা কাব্য-রস পিপাসুর দল- কবি বলেই সম্মান করি, কবিরূপেই দেখি। তিনি হয়তবা সুফি দরবেশও ছিলেন। তার কবিতাতেও সে আভাস পাওয়া যায় সত্য। শুনেছি, আমাদের দেশেও মহর্ষি দেব্রেন্দ্রনাথ ঠাকুর, কেশব সেন প্রভৃতি হাফিজের কবিতা উপাসনা-মন্দিরে আবৃত্তি করতেন। তবু তার কবিতা শুধু কবিতাই। তার দর্শন আর ওমর খৈয়ামের দর্শন প্রায় এক।

মহাকবি হাফিজসহ পারস্যের কবিদের জীবন দর্শন পর্যালোচনা করতে গিয়ে নজরুল আরো উল্লেখ করেন,

‘এরা সকলেই আনন্দ-বিলাসী। ভোগের আনন্দকেই এঁরা জীবনের চরম আনন্দ বলে স্বীকার করেছেন। ইরানের অধিকাংশ কবিই যে শারাব-সাকি নিয়ে দিন কাটাতেন, এও মিথ্যা নয়।

তবে এও মিথ্যা নয় যে, মদিরাকে এঁরা জীবনে না হোক কাব্যে প্রেমের আনন্দের প্রতীকরূপেই গ্রহণ করেছিলেন।

শারাব বলতে এঁরা বোঝেন-ঈশ্বরের ভূমার প্রেম যা মদিরার মতই মানুষকে উন্মত্ত করে তোলে। ‘সাকি অর্থাৎ যিনি সেই শারাব পান করান। যিনি সেই ঐশ্বরিক প্রেমের দিশারী, দেয়াসিনী। পানশালা-সেই ঐশ্বরিক প্রেমের লীলা-নিকেতন।

ইরানী কবিদের অধিকাংশই তথাকথিত নাস্তিকরূপে আখ্যাত হলেও এঁরা ঠিক নাস্তিক ছিলেন না। এঁরা খোদাকে বিশ্বাস করতেন। শুধু স্বর্গ, নরক, রোজকিয়ামত (শেষ বিচারের দিন) প্রভৃতি বিশ্বাস করতেন না। কাজেই শাস্ত্রাচারীর দল এঁদের উপর এত খাপ্পা ছিলেন। এঁরা সর্বদা নিজেদের ‘রিনদান্’ বা স্বাধীন চিন্তাকারী, ব্যভিচারী বলে সম্বোধন করতেন। এর জন্য এঁদের প্রত্যেককেই জীবনে বহু দুর্ভোগ সহ্য করতে হয়েছিল।

হাফিজের সমস্ত কাব্যের একটি সুর-

‘কায় বেখবর, আজ ফসলে গুল্ ও তরকে শারাব।’

‘ওরে মূঢ়। এমন ফুলের ফসলের দিন- আর তুই কিনা শারাব ত্যাগ করে বসে আছিস।’

উপরের বক্তব্যের সূত্রেই হাফিজের সঙ্গে নজরুলের জীবনের একাংশের গভীর যোগসূত্র পরিলক্ষিত হয়। আর তা হচ্ছে পারস্যে হাফিজদের নাস্তিক আখ্যা দেয়া হয় এবং এজন্য তারা বহু দুর্ভোগ সহ্য করেন। বাংলায় নজরুলকেও এক সময় কাঠমোল্লার দল কাফের ফতোয়া দিয়েছিলো এবং এজন্য কবিকে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিলো। অথচ নজরুল নাস্তিক ছিলেন না এবং ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, এদেশে আজ নজরুলের হামদ, নাত ও গজল ছাড়া কোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সুসম্পন্ন হয় না। হাফিজ ও নজরুলের এই ভাগ্য বিপর্যয়ের কারণ বোধকরি সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে সাধনার স্তর উত্তীর্ণের ফলেই জীবন দর্শনে বিশেষ অবস্থা তৈরি হওয়া। যা ঘটেছে হাফিজ ও নজরুলের ক্ষেত্রে এবং মূর্খরা না বুঝেই এই অমর কবিদ্বয়কে নাস্তিক ও কাফের আখ্যা দিয়েছে।

৩.

নজরুলকৃত ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজে’ মোট ৭৩টি রুবাই রয়েছে। এর বাইরে ‘মুখবন্ধে’ কবি আরো দুটি রুবাইয়ের অনুবাদ দিয়ে বলেছেন, ‘সমস্ত রুবাইয়াতের আসল সুরের সঙ্গে অন্তত এই দু’টি রুবাইয়াতের কোনো মিল নেই। বেসুরো ঠেকবে বলে আমি এ দুটির অনুবাদ মুখবন্ধেই দিলাম।’

‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩৩৭ সালের আষাঢ় মাসে। প্রকাশকঃ শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তী এন্ড সন্স, ২১, নন্দকুমার চৌধুরী লেন, কলিকাতা। মূল্য ২ টাকা। এর বেশকিছু রুবাই প্রথমে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তার মধ্যে ১৩৩৭-এর জ্যৈষ্ঠ সংখ্যা ‘জয়ন্তী’ পত্রিকায় প্রকাশিত ১০টি (৬, ৭, ৮, ১২, ১৫, ৩২, ৪১, ৪৯, ৫৩, ৫৪ সংখ্যক) রুবাই উল্লেখযোগ্য।

‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজে’ মোট ৭৩টি রুবাই মুদ্রিত হয়েছে। গ্রন্থের মুখবন্ধে রয়েছে আরো ২টি রুবাইর অনুবাদ। এই ৭৫টি রুবাইর মধ্যে বিষয় নির্দেশক প্রতিনিধিত্বশীল মোট ৮টি রুবাই এখানে উপস্থাপন করা হলো। ভাষা ও বিষয় শৈলীর গুণে এসব রুবাইর মর্মকথা মূর্ত হয়ে উঠেছে অত্যন্ত সাবলীলভাবে।

৪.

নজরুল ইসলাম শুধুমাত্র পারস্যের মহাকবি হাফিজই নন, অন্যান্য কবির অমর কাব্য মহিমা দ্বারাও বিপুলভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তার অপর অমর দৃষ্টান্ত নজরুলের ‘রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম’। কবি অসুস্থ হওয়ার ১৬ বছর পর ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ভূমিকা লেখেন সৈদয় মুজতবা আলী। প্রকাশক জোহরা খানম। ৯, এন্টনী বাগান লেন, কলকাতা-৯। পরিবেশকঃ স্টান্ডার্ড পাবলিশার্স, কলকাতা-১২। মূল্য-১০ টাকা। ২য় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কার্তিক ১৩৭০-এ।

এখানে উল্লেখ্য যে, পারস্যের এই দুই মহাকবিই নজরুল ইসলামকে বিপুলভাবে অনুপ্রাণিত করেন। এঁদের মনন-মেধা, সুর-চেতনা দ্বারা নজরুল এতটাই উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন যে, তার অনেক গজল-গানে, ধর্মীয় আধ্যাত্মিক সঙ্গীতে এঁদের প্রত্যক্ষ প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ‘নজরুল-গীতিকা’, ‘সুর-সাকী’, ‘জুলফিকার’, ‘বন-গীতি’, ‘গুল-বাগিচা’, ‘গীতি-শতদল’ ও ‘গানের মালা’র অনেক কবিতা-গানে ফারসি সাহিত্যের প্রভাব লক্ষণীয়। ‘নজরুল গীতিকা’তে তো ‘ওমর খৈয়াম-গীতি’ ও ‘দীওয়ান-ই-হাফিজ-গীতি’ নামে আটটি করে কবিতা গান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ থেকেই প্রতীয়মান হয় যে, ফার্সি সাহিত্য তথা পারস্যের মহাকবি হাফিজ দ্বারা নজরুল কতটা অনুপ্রাণিত ছিলেন।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: