জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া লাভ কি? পৃথিবীতে কে কাহার…

জি লু র র হ মা ন সি দ্দি কী
একেক জাতির ইতিহাসে একেক নেতার নাম, রাষ্ট্রনায়কের নাম, স্রষ্টার নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত হয়ে যায়৷ সোভিয়েত রাশিয়ার সঙ্গে লেনিনের, তুরস্কের সঙ্গে কামাল আতাতুর্কের, ভারতের সঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর, নয়া চীনের সঙ্গে মাও সেতুঙের নাম যেমনভাবে জড়িয়ে আছে, বাংলাদেশের সঙ্গে তেমনি অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম৷ এ এমন এক প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, ওই সত্যকে অস্বীকার করার চেষ্টা বাতুলতার নামান্তর৷ দুঃখের বিষয়, লজ্জার বিষয়, সে চেষ্টাও হয়েছে৷ এবং সে চেষ্টা করুণভাবে ব্যর্থ হয়েছে৷ সে চেষ্টা কারা করেছিল, কেন করেছিল, কিছুই রহস্যাবৃত নয় আমাদের কাছে৷ রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহণ করে এরা বঙ্গবন্ধুকে জাতির স্মৃতি থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টাও করেছিল৷ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধুর মর্মান্তিক হত্যার দিন, জাতীয় শোক দিবসসংক্রান্তআইনি সিদ্ধান্তওরা বাতিল করে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে এ দিনটি উদযাপন বন্ধ করে দেয়৷ সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারে ইতিহাসেও এর মতো সভ্যতা-শালীনতা এমনকি কাণ্ডজ্ঞান বিরহিত অপকর্মের দ্বিতীয় নজির খুঁজে পাওয়া ভার৷ এই শোকের দিনকে আনন্দ ও উত্‍সবের দিনে পরিণত করার উত্‍কট পরিকল্পনাও কারও কারও মাথায় এসেছিল৷ অনেক রকমের মস্তিষ্ক বিকৃতি রয়েছে, তবে এই বিকৃতিও তুলনাবিহীন৷
হাইকোর্টের রায়ে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে৷ এবং বর্তমানে জরুরি অবস্থার সরকার এর বৈধতা মেনে নিয়েছে৷ দিনটি সরকারিভাবে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হবে৷ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং সরকার প্রধানসহ আরও দু’জন উপদেষ্টা ওইদিন টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন, বঙ্গবন্ধুর মাজারে গিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন, সংবাদ সূত্রে আমরা এ তথ্য জানতে পারলাম৷ এই শ্রদ্ধা প্রদর্শনের ভেতর দিয়ে যে বার্তাটি সারাদেশ পাবে, তাহল, জাতির পিতা, রাষ্ট্রের স্থপতি পরিচয়ে বঙ্গবন্ধু, এ এক প্রতিষ্ঠিত সত্য৷ দলীয়ভাবে এ সত্য কিছুদিনের জন্য ছাইচাপা থাকতে পারে, কিন্তু সত্যের স্ফুলিঙ্গ নেভে না৷
সত্যের সঙ্গে অসত্যের বিরোধ চিরকাল৷ অসত্য যদি কোনভাবে ক্ষমতায় আসে, তখন এই বিরোধটা প্রকট হয়ে ওঠে৷ অসত্য কখনও নিজের শক্তিতে দাঁড়াতে পারে না৷ তার প্রয়োজন হয় সহায়ক শক্তির৷ যেমন রাজনৈতিক ক্ষমতা৷ রাজনৈতিক ক্ষমতার লম্বা হাত৷ সে হাত সংস্কৃতির নিরপেক্ষতার দুর্গ পর্যন্তপ্রসারিত হতে পারে৷ বাংলাদেশে এর বড় দৃষ্টান্তবাংলা একাডেমী৷ বাংলা একাডেমীর কাজ পুরোপুরি সাংস্কৃতিক_ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা, প্রকাশনা ইত্যাদি৷ বাংলা একাডেমী সরকারি অর্থে পরিচালিত, যদিও বিস্তর বই প্রকাশনার সূত্রে এর নিজস্ব আয়েরও একটা উপায় আছে, তবু এর বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজন হয় সরকারি অর্থ বরাদ্দের৷ অনেক ভালো কাজ সম্পন্ন হয়েছে সরকারি অর্থ বরাদ্দের সুবাদে৷ এমনি একটি প্রকল্পের আওতায় বাংলা একাডেমী দেশের পাঁচজন জাতীয় নেতার জীবনীগ্রন্থ প্রকাশের যে উদ্যোগ গ্রহণ করে, বঙ্গবন্ধুর জীবনীগ্রন্থ রচনা তার অন্তভর্ুক্ত৷
বেশ কিছু বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে, শেষ পর্যন্তবিগত একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে দুই খণ্ডে, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, জীবন ও রাজনীতি’ বঙ্গবন্ধুর ওপর এটি বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনীর স্বীকৃতি লাভ করবে৷ ইংরেজি ভাষায় অবশ্য ইতিপূর্বে প্রকাশিত, এসএ করিমের ‘শেখ মুজিব, ট্রায়ামফ অ্যান্ড ট্র্যাজেডি’ এ ধারায় প্রথম বই৷ একক গবেষণার ফল এ বইয়ের সঙ্গে বাংলা একাডেমী প্রকাশিত দুই খণ্ডে সমাপ্ত বইয়ের তুলনা অন্য কেউ করবেন৷ সেজন্য যে বিশেষ যোগ্যতার প্রয়োজন, তা আমার নেই৷ আমি শুধু একটি মৌলিক প্রভেদের কথা বলতে চাই৷ ইংরেজি বইটি গ্রন্থকারের একক গবেষণার ফল, আর বাংলা বইটি একাধিক ব্যক্তির সমষ্টিগত গবেষণার ফল৷ এই সমষ্টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে বা পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করেছে ‘বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ’৷ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শাহ এএমএস কিবরিয়া, যিনি ঘাতকের গ্রেনেড হামলায় ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি নিহত হন৷ ফাউন্ডেশনের বর্তমান কর্ণধার জনাব মোনায়েম সরকার একদল গবেষকের কাজের সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করে সবার কৃতজ্ঞতাভাজন হয়েছেন৷ বাংলা একাডেমী প্রকাশিত বইয়ের সম্পাদকও তিনি৷ তার ভূমিকায় বইটির পরিকল্পনা, রচনা, তথ্য সংগ্রহ, সম্পাদনা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে৷ কৃতজ্ঞতা স্বীকারেও কোন কার্পণ্য করেননি তিনি৷ কাউকে দোষারোপ না করে, একটি সংক্ষিপ্ত বাক্যে তিনি জানিয়েছেন, ‘বিভিন্ন কারণে গ্রন্থটি প্রকাশে দীর্ঘ সময় অতিক্রান্তহয়েছে৷’
বঙ্গবন্ধুর জীবনীর সিংহভাগ জুড়ে থাকবে রাজনীতি, এতে বিস্ময়ের কিছু নেই৷ সব রাজনীতিকের জীবনী বলতে তাদের রাজনৈতিক জীবনই বোঝায়৷ আত্মজীবনীও এদের বেলায় ব্যক্তিজীবনের কাহিনী নয়৷ বঙ্গবন্ধুর বেলায় ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ছিল একটি প্রান্তবতর্ী বিষয়৷ তিনি যে ধরনের রাজনীতি করেছেন, সেখানে রাজনীতি তার দিনরাত্রির সব প্রহর দাবি করেছে৷ তিনি সে দাবির কাছে নতিস্বীকার করেছেন৷ এর মধ্যেও তার এই জীবনীগ্রন্থে ব্যক্তি মুজিবের দেখা মেলে, কচিত্‍-কদাচিত্‍ এবং কয়েকটি বক্তিগত পত্রে আমরা সেই ব্যক্তিটিকে পাই৷ অত্যন্তব্যস্তজীবনেও তাঁর পুত্র পরিচয়ে, স্বামী ও পিতা পরিচয়ে, নিকটাত্মীয়দের প্রতি স্নেহ ও প্রীতিপরায়ণ ব্যক্তি হিসেবে, তাঁর সমগ্র পরিচয় কোনদিন অজানা ছিল না দেশবাসীর কাছে৷ নানা সূত্রে আমরা এ বিষয়ে যা জানার জানতে পেরেছি৷ তাঁর জীবনী রচয়িতার কাছে আমাদের মুখ্য দাবি, তাঁর রাজনৈতিক জীবন তুলে ধরা, সে রাজনীতি কিভাবে তাকে গড়েছিল, আর তিনি সে রাজনীতিকে কিভাবে প্রভাবিত করেছিলেন, তার বিশদ উপস্থাপনা৷
অবিভক্ত বাংলার ‘৩৭ (১৯৩৭)-এর নির্বাচন ও ‘৪৭-এর দেশ বিভাগ এবং স্বাধীনতা এই দশকের রাজনীতি মূলত মুসলিম লীগের উত্থান ও সাফল্যের কাহিনী৷ এই সাফল্য মুসলিম লীগের একক কৃতিত্ব নয়, এর পেছনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অবদানও প্রচুর৷ ভারত বিভক্তির জন্য জিন্নাহ ও তার মুসলিম লীগকে দায়ী করার প্রবণতা এখন ক্ষয়প্রাপ্ত৷ পণ্ডিত নেহরু, সরদার বলভ ভাই প্যাটেল পরিচালিত কংগ্রেসের দায়দায়িত্ব ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ইতিহাসবিদের দৃষ্টিতে৷ শেখ মুজিব ওই দশকেই তাঁর রাজনীতি শুরু করেন মুসলিম লীগের তরুণ ও তেজী কমর্ী হিসেবে৷ এবং শহীদ সোহরাওয়াদর্ীর নজর কাড়েন৷ তাঁর এই রাজনৈতিক শিষ্যত্ব তাঁর রাজনৈতিক চেতনার বিকাশে অত্যন্তকার্যকর হয়েছিল৷ তাঁর এই শিষ্যত্ব থেকেই শেষ পর্যন্তআওয়ামী লীগের তথা স্বাধিকার আন্দোলনের নেতৃত্বের দায় তাঁর ওপর বর্তেছিল৷ নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির এবং দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতির যে পাঠ তিনি গ্রহণ করেছিলেন সোহরাওয়াদর্ীর ঘনিষ্ঠ কমর্ী হিসেবে, সেটা তিনি কোন দিন ভোলেননি৷
মুসলিম লীগ রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগ রাজনীতির ঊধর্্বতন আমাদের রাজনীতির ইতিহাসে একটা তাত্‍পর্যপূর্ণ ঘটনা৷ এ ঘটনায় যারা প্রধান পুরুষ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাঁদের মধ্যেও প্রধান৷ প্রাক-সাতচলিশ মুসলিম রাজনীতির লক্ষ্য পূরণ হওয়ার পর, সেই লক্ষ্যের মধ্যে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয় পাকিস্তানের শাসকরা, যারা সবাই মুখে গণতন্ত্রের কথা বলতেন, কিন্তু বাস্তবে গণতন্ত্রের চর্চা করেননি৷ পূর্ব পাকিস্তানে ক্ষমতার আসনে ছিল মুসলিম লীগ, আইনসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল তাদের৷ কিন্তু বছরের পর বছর তারা আইনসভার শূন্য আসনে কোন উপনির্বাচন দেয়নি৷ প্রথম যে উপনির্বাচন দিল লজ্জাজনকভাবে পরাজিত হল মুসলিম লীগ৷ অর্থাত্‍ ইতিমধ্যে এই দল তার সংশিষ্টতা হারিয়েছিল, এমনকি পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি কেন্দ্রের যে অবহেলা, তারও প্রতিবাদ করার নৈতিক বল হারিয়ে বসেছিল৷
শেখ মুজিবের উত্থানের পেছনে যে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পটভূমি, তাঁর জীবনী যিনিই লিখুন, যেভাবেই লিখুন, সেটা গুরুত্বসহকারে বিবেচনার দাবি রাখে৷ সেই হতাশা ও বঞ্চনার যুগে তিনি পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের রাজনীতির প্রধান পুরুষে পরিণত হন৷ তাঁকে দমন করার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়৷ সবচেয়ে মারাত্মক প্রচেষ্টা ছিল তাঁর বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা রুজু করা৷ প্রবল প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে এ মামলা পরিত্যক্ত হয়৷ এই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে তিনি যখন মুক্ত হয়ে আসেন, ততদিনে তিনি বীরের মর্যাদা লাভ করেছেন৷ তিনি বঙ্গবন্ধু নামে সব বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন৷ যে আস্থা তাঁর ওপর অর্পিত হয়েছিল, তিনি তার মর্যাদা রক্ষা করেছেন, নিজে শারীরিকভাবে অনুপস্থিত থেকেও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা হয়ে৷ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় নিশ্চিত করেছিল সত্তরের নির্বাচন৷ এই নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হওয়ায় একাত্তরে তাজউদ্দিন আহমদের সরকারের পক্ষে বাংলাদেশের বৈধ সরকারের দাবি নিয়ে কথা বলার ও কাজ করার অধিকার জন্মেছিল৷ সন্দেহ মাত্র নেই যে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের ভিত্তি রচনা করেছিল শেখ মুজিবের নেতৃত্বে সত্তরের নির্বাচনে জয়৷
স্বাধীনতার পর, রাষ্ট্রপ্রধান সরকারপ্রধানের ভূমিকায় শেখ মুজিবের কৃতিত্ব নিয়ে ঐকমত্য নেই৷ সৈয়দ আনোয়ারুল করিম এক কথায় এই সময়কে ট্র্যাজেডি বলে রায় দিয়েছেন৷ ট্র্যাজেডি বলতেই বোঝায় নায়কের পতন৷ নায়কের মৃতু্য ও তার পতন একসূত্রে গাঁথা৷ ট্র্যাজেডির এই ব্যাখ্যা৷ বঙ্গবন্ধুর হত্যাকে তার পতনের অনিবার্য পরিণতি, এই সরল ব্যাখ্যা আমাকে সন্তুষ্ট করে না৷ আসলেই তার পতন হয়েছিল কিনা, সেটাও বিতর্কের বিষয়৷ আমার ধারণা, তিনি ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসার এক নতুন দিকনির্দেশনার দিকেই অগ্রসর হচ্ছিলেন৷ চক্রান্তকারীরা তাঁকে সে সুযোগ দেয়নি৷ তাঁর মৃতু্যর জন্য ঘাতকের ভূমিকা প্রত্যক্ষ হতে পারে৷ কিন্তু চক্রান্তকারীদের পরোক্ষ ভূমিকা পরোক্ষ বলেই গৌণ নয়৷ দেশে ও বিদেশে এই চক্রান্তের জাল বিস্তৃত হয়েছিল৷ তাঁর হত্যা-পরবতর্ী ১৫ বছরের সেনাশাসন এই চক্রান্তের পরিধি নির্দেশ করে৷
একদিকে অন্ধ বিরোধিতা, অন্যদিকে অন্ধ মোহ_ এই দুই প্রবণতার আকর্ষণমুক্ত হয়ে একটি বস্তুনিষ্ঠ জীবনী রচনার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায় মোনায়েম সরকার সম্পাদিত গ্রন্থে৷ এজন্য গবেষকদেরকে সব ঘটনার উত্‍স সন্ধান করতে হয়েছে এবং এতকাল অজানা বেশ কিছু গোপনীয় দলিল খুঁজে পেতে হয়েছে৷ সত্যানুসন্ধানের আন্তরিক প্রচেষ্টার এই ফসল এতদিনের একটা অভাব পূর্ণ করল, এজন্য গ্রন্থের সঙ্গে সংশিষ্ট সবাই আমাদের অকুণ্ঠ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতার পাত্র৷
জিলুর রহমান সিদ্দিকী : শিক্ষাবিদ

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: