‘শ্লোক’ এর জন্য আর্কাইভ; ক্যাটাগরি

শ্লোক

স্থূল রোমবিশিষ্ট বলদ, বহুভাষিণী কন্যা এবং অনুর্বর জমি এসব বস্তু দূর থেকেই পরিত্যাগ করবে।

শ্লোক

যারা মূর্খ কিন্তু সুশ্রী এবং যারা ধনশালী কিন্তু গুণহীন তারা পলাশ ফুলের মতো দূরে থাকলেও শোভা পায়। কিন্তু নিকটে আসলে তাদের কোনো গৌরব থাকে না।

শ্লোক

সর্ষে পরিমাণ অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র যদি খল ব্যক্তিরা অন্যের মধ্যে দেখে থাকে তাহলে সর্বত্রই তা প্রচার করে। কিন্তু নিজেদের দোষ বিশ্ব পরিমাণ বৃহৎ হলেও তা কখনোই লক্ষ্য করে না।

শ্লোক

পদ্মপত্রের মতো নির্মল মুখ, চন্দনের মতো সুশীতল বাক্য এবং কাটারির মতো তীক্ষè হৃদয় এই তিনটিই ধূর্তের লক্ষণ।

শ্লোক

সাধারণ মানুষ পাত্রের ধনবত্তা ইচ্ছা করে। কন্যা কামনা করে পাত্রের রূপ। জাতিগণ স্বদংশ কামনা করে এবং যাঁরা ধার্মিক তাঁরা বিবাহের মাধ্যমে কন্যাদান কামনা করেন।

শ্লোক

সম্মান করলে সাধু ব্যক্তি প্রাণত্যাগ করতেও কুণ্ঠাবোধ করেন না। কিন্তু দুর্জনের শত উপকার করলেও সে কারো বশীভূত হয় না।

শ্লোক

স্ত্রীলোকের মধ্যে চাপল্য, ব্রাহ্মণের মধ্যে তপস্যা, নীচজনের মধ্যে কটু কাঠিন্য এবং সাধুব্যক্তির মধ্যে দয়া সর্বদাই বিদ্যমান।

শ্লোক

প্রলয়ের সময় সাগরের সীমা ভঙ্গ হয়। কিন্তু সাগর প্রলয়কালে নিজের সীমা লঙ্ঘন করলেও সাধুব্যক্তির চিত্ত কিন্তু প্রলয়েও স্থির থাকে। কখনোই তা অন্যথা ধাবিত হয় না।

শ্লোক

আকাশ, দিক, ভূমি, জল, চন্দ্র, সূর্য, অগ্নি, বায়ুÑ এই সকলেরই সংহার কর্তা হলো কাল। অতএব কালকেই সকলের মধ্যে প্রধান বলে জানবে।

শ্লোক

দুর্জনের সঙ্গে বাস করলে সুজনও বিনষ্ট হয়। অতি নির্মল জলও কর্দমের সঙ্গে মিশ্রিত হলে দূষিতই হয়ে থাকে।

শ্লোক

প্রাণ কণ্ঠাগত হলেও কখনো অকর্তব্য কাজ করা উচিত নয়। আর প্রাণ কণ্ঠাগত হলেও যে কাজ করা উচিত সেই কাজই করবে।

শ্লোক

শত্রুর গুণ বলা উচিত। গুরুর দোষও বলা উচিত। একমাত্র যুক্তিযুক্ত বাক্যই গ্রহণযোগ্য। কিন্তু গুরুর গৌরব রক্ষার জন্য যুক্তিহীন বাক্য গ্রহণ করা কখনো উচিত নয়।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.