আসছে সুপার-ফাস্ট ইন্টারনেট
ইঞ্জিনিয়াররা গড়ছেন নতুন ধরনের ইন্টারনেট, ডাইন্যামিক সার্কিট নেটওয়ার্ক। পরিকল্পনা মাফিক কাজ শেষ হলেই সকলের দ্বারে পৌঁছে যাবে এটি। ইন্টারনেট ট্রাফিকের দিন শেষে যা এনে দেবে হাজারগুন দ্রুতগতির ডাটা ট্রান্সফারের সুযোগ।
প্রতিবছর ইন্টারনেট ট্রাফিক বাড়ছে দ্বিগুন হারে। লাইভ ভিডিও বা ইউটিউবের কোন ক্লিপ ইন্টারনেটে পাঠানোর সময়ে তা কতগুলো প্যাকেট আকারে ভাগ করে দেয়া হয়। এরপর সেগুলো একসঙ্গে পাঠানো হয়। কিন্তু একই সময়ে প্রচুর ডাটা পাঠানো হলেই উদ্ভব ঘটে ‘বটলনিক’ সমস্যার। বোতলের সবকিছু একসঙ্গে বেরোতে চাইলে তা বোতলের গলাতেই এসে আটকে থাকে। আর এজন্যই ভিডিও কনফারেন্সের সময়ে কিছুটা স্কিপ বা বাদ পড়ে। মাঝে মধ্যে পুরো ওয়েবপেজটি ক্র্যাশ করে। দিন দিন ডাটা ট্রান্সফারের হার বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এ সমস্যা।
সমস্যাকে মাথায় রেখেই তৈরি হচ্ছে ডাইন্যামিক সার্কিট নেটওয়ার্ক টেকনলজি। এটি নিয়ে আসবে ডেডিকেটেড রুট যাতে ডাটা ট্রান্সফার হবে ঝামেলা ছাড়াই। শুধু প্রয়োজন হবে কিছু সফটওয়্যার ও পিসিতে ফাইবার অপটিক সংযোজনের। এছাড়া পুরো অবকাঠামোয় আর কিছু পাল্টাতে হবে না।
এখন একটি পিসি একসঙ্গে দুটো ভিডিও চ্যানেলে পাঠাতে পারে। সেখানে ডাইন্যামিক সার্কিট নেটওয়ার্কে পাঠানো যাবে এমন প্রায় ৪ হাজার চ্যানেল। সাড়ে ৪ মেগাবাইট পার সেকেন্ডর ক্যাবল কানেকশন ইন্টারনেটে একটি হাই ডেফিনেশন মুভি ডাউনলোড করতে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘন্টা। একই মুভি ১০ গিগা বাইট পার সেকেন্ডের ডাইন্যামিক-নেটওয়ার্কে ডাউনলোড করা যাবে ৫ সেকেন্ডেই।
এ প্রযুক্তিটি তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারনেট২ নামের একটি সংঘ। এছাড়া লার্জ হাড্রন কলাইডরের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সার্ন-এ বিজ্ঞানীরা এটি পরীক্ষামূলক ভাবে ব্যবহার করছেন। মে মাসের মধ্যেই পরীক্ষামূলক ব্যবহার শেষ হবে।
This is very serious plan for world.